নিমগাছ গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর (MCQ) গুলো জেনে নিন
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে নিমগাছ গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর (MCQ) গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আপনি যদি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে নিমগাছ গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর (MCQ) গুলো বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রিয় পাঠক, চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
নিমগাছ গল্পটি বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত অদৃশ্যলোক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। এ গল্পে লেখক নিমগাছের প্রতীকের মাধ্যমে একজন গৃহকর্ম-নিপুণা বধূর জীবন-বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। নিমগাছ যত্নহীনভাবে বাড়ির পেছনে আবর্জনার স্তূপে বেড়ে উঠেছে। এ গাছের ছাল, পাতা, ডাল সবই উপকারী। নিমের হাওয়া স্বাস্থ্যকর। নানারকম কবিরাজি ওষুধ তৈরিতে নিমের জুড়ি নেই। তবু কেউ যত্ন নেয় না এ গাছের। একদিন এক কবি এসে এসে বসে এ গাছের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন।
গাছের ইচ্ছে হয় অকৃত্রিম এ বন্ধুর সঙ্গে চলে যেতে। কিন্তু ততদিনে মাটির অনেক গভীরে চলে গেছে তার শিকড়। গাছটির এ বাস্তবতার সঙ্গে মিলে যায় সংসারের জালে আবদ্ধ একটি লক্ষ্মীবউয়ের জীবন বাস্তবতা। নিমগাছ যেমন নানা উপকারে আসে অথচ কেউ এর যত্ন নেয় না, গৃহকর্ম-নিপুণা বউটিরও একই দশা। সহমর্মী মানুষের আহ্বানে সাড়া দেওয়াও তার পক্ষে অসম্ভব।
নিমগাছ গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর (MCQ)
১। নিমগাছের ছাল নিয়ে লোকজন কী কাজে লাগায়?
ক. সিদ্ধ করে খায় খ. ভিজিয়ে খায়
গ. শুকিয়ে খায় ঘ. রান্না করে খায়
উত্তর: ক. সিদ্ধ করে খায়।
২। নিমগাছের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা ব্যক্তিটি কোন প্রকৃতির?
ক. উপকারভোগী খ. ভাবুক প্রকৃতির
গ. তীক্ষ্ণ দৃষ্টিসম্পন্ন ঘ. অনুসন্ধিৎসু
উত্তর: গ. তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সম্পন্ন।
৩। গৃহকর্ম নিপুণা লক্ষ্ণী বউটির ঠিক এক দশা নিমগাছ গল্পে এক দশা শব্দটি নিমগাছ ও লক্ষ্ণী বউকে সমর্থন করে?
ক. জীবনধারায় খ. উপকারী মনোভাব
গ. প্রশংসা প্রাপ্তিতে ঘ. নিরহংকারী চেতনায়
উত্তর: গ. প্রশংসা প্রাপ্তিতে।
৪। মাটির ভিতরে শিকড় অনেক দূরে চলে গেছে এখানে শিকড় বলতে বোঝানো হয়েছে?
ক. শিকড়ের বিস্তুতি খ. বউয়ের সংসারের জালে চারিদিকে আবদ্ধ হওয়া
গ. নিমগাছের বিস্তৃতি ঘ. নিমগাছটির স্থিরতা
উত্তর: খ. বউয়ের সংসারের জালে চারিদিকে আবদ্ধ হওয়া।
৫। ঘৃতকুমারীর নরম অংশ দিয়ে শরবত তৈরি করা হয়। এর শরবত স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। উদ্দীপকের ঘৃতকুমারীর সাথে নিমগাছ গল্পের যে দিক থেকে সাদৃশ্য রয়েছে, তা হলো
ক. সৌন্দর্যের খ. অবহেলার
গ. কল্যাণের ঘ. আকৃতির
উত্তর: গ. কল্যাণের।
৬। একঝাঁক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে, সবুজ সায়রে এখানে নক্ষত্র বলতে বোঝানো হয়েছে
ক. নিমগাছের কচি পাতাগুলোকে খ. নিমগাছের সুন্দর রূপকে
গ. নিমগাছের ফুলের বাহারকে ঘ. নিমগাছের কপি ডালগুলোকে
উত্তর: গ. নিমগাছের ফুলের বাহারকে।
৭। নিমগাছ গল্পে লেখক মূলত প্রকাশ করতে চেয়েছেন?
ক. নিমের ঔষধি গুণের কথা খ. পরিবেশে বান্ধবতা
গ. নিমগাছের প্রতি দায়িত্বহীনতা ঘ. সমাজে গৃহিণীর বাস্তবতা
উত্তর: ঘ. সমাজে গৃহিণীর বাস্তবতা।
৮। নিমগাছ গল্পে শিকড় কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক. পরোপকার খ. দায়িত্বশীলতা
গ. সাংসারিক বন্ধন ঘ. অস্তিত্ব
উত্তর: গ. সাংসারিক বন্ধন।
৯। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ লাইনটি দ্বারা কোনটি বোঝায়?
ক. নিমগাছ উপকারী খ. এটি বাড়ির শোভাবর্ধনকারী
গ. এটি পরিবেশবান্ধব ঘ. এটি খর্বকায়, ক্ষুদ্রাকৃতি
উত্তর: ক. নিমগাছ উপকারী।
১০। নিমের কচি ডাল ভেঙে লোকেরা কী করে?
ক. চিবোয় খ. খেলা করে
গ. বেত মারে ঘ. মশা তাড়ায়
উত্তর: ক. চিবোয়।
১১। নিমগাছের কচি পাতাগুলোকে খেলে কী লাভ হয়?
ক. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে খ. চুলকানি ভালো হয়
গ. যকৃতের উপকার হয় ঘ. দাঁত ভালো থাকে
উত্তর: গ. যকৃতের উপকার হয়।
১২। নিমের হাওয়া খাওয়া ভালো, থাক, কেটো না - কে বলে?
ক. নতুন লোক খ. কবি
গ. কবিরাজ ঘ. বিজ্ঞরা
উত্তর: ঘ. বিজ্ঞরা।
১৩। নিমগাছটার কার সাথে যেতে ইচ্ছে করল?
ক. কবিরাজের খ. লোকটার
গ. লেখকের ঘ. বিজ্ঞের
উত্তর: খ. লোকটার।
১৪। নিমগাছ বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়, কারণ
i. ওষধি বৃক্ষ
ii. নিমের হাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
iii. চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ. i, ii ও iii।
১৫। বাহ্যিক উপকারিতায় ব্যবহার করা হয় নিমগাছের
i. পাতা, বাকল
ii. শিকড়, পাতা
iii. বাকল ও ছায়া
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: খ. i ও iii।
১৬। বাড়ির পাশে নিমগাছ গজালে বিজ্ঞরা খুশি হন যে কারণে
i. নিম গাছের হাওয়া ভালো
ii. নিম একটি উপকারী গাছ
iii. এটা যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ক. i ও ii।
১৭। নিম একটি
ক. ফলজ বৃক্ষ খ. বনজ বৃক্ষ
গ. ওষধি বৃক্ষ ঘ. পবিত্র বৃক্ষ
উত্তর: গ. ওষধি বৃক্ষ।
১৮। পদ্মভূষণ উপাধি লাভ করে
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খ. প্রমথ চৌধুরী
গ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘ. বনফুল
উত্তর: ঘ. বনফুল।
১৯। বনফুলের প্রকৃত নাম কি?
ক. প্যারীচাঁদ মিত্র খ. প্রমথ চৌধুরী
গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ঘ. আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর: গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
২০। নিমগাছটার সাথে কোন অর্থে ওদের বাড়ির লক্ষ্মীবউটির সাদৃশ্য রয়েছে?
ক. উপকারী অর্থে খ. রূপে-গুণে সমান অর্থে
গ. অযত্নে-অবহেলায় বেড়ে ওঠা বোঝাতে ঘ. সংসারের সাথে নিজেকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ফেলায়
উত্তর: গ. সংসারের সাথে নিজেকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ফেলায়।
ক. দুঃখে ভারাক্রান্ত হলো খ. স্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে রইল
গ. বিধাতাকে দোষারোপ করল ঘ. নিজেকে দোষারোপ করল
উত্তর: খ. স্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে রইল।
২২। নিমগাছ গল্পটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
ক. দুরবীন খ. বিন্দুবিসর্গ
গ. অদৃশ্যলোক ঘ. কিছুক্ষণ
উত্তর: গ. অদৃশ্যলোক।
২৩। বনফুলের উপন্যাস কোনটি?
ক. দ্বৈরথ খ. বিন্দুবিসর্গ
গ. দূরবীন ঘ. বাহুল্য
উত্তর: ক. দ্বৈরথ।
২৪। বনফুল কত সালে ম্যাট্রিক পাস করেন?
ক. ১৯১৬ সালে খ. ১৯১৮ সালে
গ. ১৯২০ সালে ঘ. ১৯২২ সালে
উত্তর: খ. ১৯১৮ সালে।
২৫। নিমগাছকে যে অর্থে পাশের বাড়ির বউটার সাথে তুলনা করা হয়েছে
ক. সেবাকর্মে ব্রতী খ. অসম ধৈর্যের অধিকারী
গ. ত্যাগী, ভোগী নয় ঘ. বিনিময় প্রত্যাশী নয়
উত্তর: ক. সেবাকর্মে ব্রতী।
২৬। নিমগাছ গল্পের মূল বিষয়বস্তুতে ফুটে উঠেছে?
ক. নিরহংকার খ. গাছের অবদান
গ. আত্মত্যাগ ও উপেক্ষা ঘ. প্রয়োজনীয়তা
উত্তর: গ. আত্মত্যাগ ও উপেক্ষা।
২৭। বাহ্ কী সুন্দর পাতগুলি - বাক্যটিতে কীসের প্রকাশ ঘটেছে?
ক. মায়ার খ. ব্যঙ্গের
গ. স্তূতির ঘ. মুগ্ধতার
উত্তর: ঘ. মুগ্ধতার।
২৮। নিমগাছটার কেন ইচ্ছা করল কবির সঙ্গে চলে যেতে?
ক. প্রশংসা প্রাপ্তির জন্য খ. কাব্যবোধের জন্য
গ. অবস্থানের জন্য ঘ. জ্ঞানের জন্য
উত্তর: ক. প্রশংসা প্রাপ্তির জন্য।
২৯। নিমগাছ গল্পের ম্যাজিক বাক্য শেষ লাইন। কারণ কী?
ক. নিমগাছের উপকারিতার কথা খ. নামকরণের সার্থকতা
গ. কবির প্রশংসা ঘ. সীমাহীন কথার আখ্যান
উত্তর: ঘ. সীমাহীন কথার আখ্যান।
৩০। কবি নিমগাছের পাতাগুলোকে কী হিসেবে কল্পনা করেছেন?
ক. সবুজ পাহাড় রূপে খ. সবুজ প্রান্তর রূপে
গ. সবুজ উদ্যান রূপে ঘ. সবুজ সায়র রূপে
উত্তর: ঘ. সবুজ সায়র রূপে।
৩১। নতুন লোকটিকে মুগ্ধ করে নিমগাছের
i. ডাল
ii. পাতা
iii. ফুল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: গ. ii ও iii।
৩২। মানুষ নিমের পাতা ছিঁড়ে
i. রান্না করে খায়
ii. গরম তেলে ভাজে
iii. চুলকানিতে লাগায়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ. i, ii ও iii।
৩৩। যে নিমগাছে শান বাঁধিয়ে দেয় সে
i. সৌন্দর্যের পূজারি
ii. স্বার্থ সচেতন
iii. ওষধি গুণের সমাদরকারী
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: গ. ii ও iii।
৩৪। নিমগাছ গল্পে কবি নিমগাছের রূপের প্রশংসা করে যেসব শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেছেন
i. অপূর্ব বাহার, একঝাঁক নক্ষত্র
ii. একঝাঁক নক্ষত্র, নীল আকাশ
iii. নীল আকাশ, সবুজ সায়র
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: গ. ii ও iii।
৩৫। বনফুলের গল্পগ্রন্থ হলো
i. বাহুল্য, বিন্দুবিসর্গ, অনুগামিনী
ii. বনফুলের গল্প, কিছুক্ষণ, জঙ্গম
iii. ঊর্মিমালা, দূরবীন, তন্বী
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: খ. i ও iii।
৩৬। বনফুলের পরিচয়, তিনি একজন
i. কবি
ii. গল্পকার
iii. নাট্যকার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ. i, ii ও iii।
৩৭। বনফুলের জন্ম সাল কত?
ক. ১৮৯৭ খ. ১৮৯৯
গ. ১৯০১ ঘ. ১৯০৩
উত্তর: খ. ১৮৯৯।
৩৮। বনফুল কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
ক. নদীয়ার শ্যামপুর গ্রামে খ. শিলিগুড়ির শ্রীপুর গ্রামে
গ. বিহারের মণিহার গ্রামে ঘ. বীরভূমের বোলপুর গ্রামে
উত্তর: গ. বিহারের মণিহার গ্রামে।
৩৯। বনফুল কী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন?
ক. মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে খ. ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে
গ. কলেজের শিক্ষক হিসেবে ঘ. পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে
উত্তর: ক. মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে।
৪০। বনফুল মৃত্যুবরণ করেন কত সালে?
ক. ১৯৭৮ সালে খ. ১৯৭৯ সালে
গ. ১৯৮১ সালে ঘ. ১৯৮৩ সালে
উত্তর: খ. ১৯৭৯ সালে।
ক. ঢাকায় খ. চট্টগ্রামে
গ. কলকাতায় ঘ. করাচিতে
উত্তর: গ. কলকাতায়।
৪২। লোকজন সিদ্ধ করে নিমগাছের কোন উপাদানটি খায়?
ক. কান্ড খ. ছাল
গ. ফুল ঘ. পাতা
উত্তর: খ. ছাল।
৪৩। মানুষ কোন সবজির সথে নিমপাতা রান্না করে খায়?
ক. কুমড়ো খ. পটল
গ. চিচিঙ্গা ঘ. বেগুন
উত্তর: ঘ. বেগুন।
৪৪। লোকজন নিমের কচি পাতা কাঁচা খায় কেন?
ক. স্বাদ গ্রহণে জন্য খ. রোগমুক্তির জন্য
গ. রুচি বাড়ানোর জন্য ঘ. কৃতিত্ব অর্জনের জন্য
উত্তর: খ. রোগমুক্তির জন্য।
৪৫। নিমের ডাল চিবানোর মধ্যে কী উপকারিতা আছে?
ক. চোখ ভালো থাকে খ. দাঁত ভালো থাকে
গ. পেট ভালো থাকে ঘ. গলা ভালো থাকে
উত্তর: খ. দাঁত ভালো থাকে।
৪৬। নিমগাছকে শান দিয়ে বাঁধিয়ে দেয় কেউ এই বাক্যে কী প্রকাশ পেয়েছে?
ক. ধর্মের অনুভূতি খ. বৃক্ষের প্রতি ভালোবাসা
গ. ওষধি গুণের জন্য কদর ঘ. সৌন্দর্যবোধ
উত্তর: গ. ওষধি গুণের জন্য কদর।
৪৭। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো। তিনি কে?
ক. কবিরাজ খ. কবি
গ. ঠাকুর ঘ. বাউল
উত্তর: খ. কবি।
৪৮। কবি নিমগাছের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন কেন?
ক. সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে খ. ওর ওষধি গুণের জন্য
গ. বৃক্ষের গুরুত্ব অনুধাবন করে ঘ. গাছকে জড়িয়ে ধরলেন
উত্তর: ক. সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে।
৪৯। খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে কবি কী করলেন?
ক. নিমের একটি পাতা ছিঁড়লেন খ. নিমের একটু ছাল মুখে দিলেন
গ. মুগ্ধতা নিয়ে চলে গেলেন ঘ. গাছকে জড়িয়ে ধরলেন
উত্তর: গ. মুগ্ধতা নিয়ে চলে গেলেন।
৫০। এই গল্পের ম্যাজিক বাক্য হলো শেষটি সেখানে লেখক পুরে দিয়েছেন সীমাহীন কথার আখ্যান এই লেখক কে?
ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
৫১। নিমগাছের সাথে কোনটি তুলনীয়?
ক. কবিরাজের জীবন খ. কবির জীবন
গ. লক্ষ্মীবউটার জীবন ঘ. বিজ্ঞজনদের জীবন
উত্তর: গ. লক্ষ্মীবউটার জীবন।
৫২। নিমগাছ গল্পের নিমগাছটির অবস্থান আবর্জনার মধ্যে কেন?
ক. সবার অবহেলার কারণে খ. নিমগাছ ফল দেয় না বলে
গ. বাজার মূল্য নেই বলে ঘ. আবর্জনা গাছের শক্তিবর্ধক বলে
উত্তর: ক. সবার অবহেলার কারণে।
৫৩। নিমগাছ গল্পের নিমগাছটির রূপকে কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক. প্রতিবাদী নারী খ. কর্মজীবী নারী
গ. নির্যাতিত নারী ঘ. সর্বসংহা নারী
উত্তর: ঘ. সর্বসংহা নারী।
৫৪। বিজ্ঞরা নিমগাছের কোন জিনিসটির পক্ষে বলেন?
ক. পাতা খ. ডাল
গ. ছাল ঘ. হাওয়া
উত্তর: হাওয়া।
৫৫। নিমগাছ গল্পে কবি বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
ক. যিনি কবিতা লেখেন খ. সৌন্দর্যের পূজারি
গ. গাছটির উপকারী বন্ধু ঘ. মুক্তির দূত
উত্তর: খ. সৌন্দর্যের পূজারি।
৫৬। লোকটিকে দেখে নিমগাছটার কী হচ্ছে হলো?
ক. ভালোবাসতে খ. কথা বলতে
গ. অনুভূতি জানাতে ঘ. সঙ্গে যেতে
উত্তর: ঘ. সঙ্গে যেতে।
৫৭। কবি এবং কবিরাজের পার্থক্য দেখা যায়
i. মানসিকতায়
ii. কার্যকলাপে
iii. বিষয়বুদ্ধিতে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ. i, ii ও iii।
৫৮। নিম পাতা হলো
i. চর্মরোগের মহৌষধ
ii. যকৃতের পক্ষে উপকারী
iii. শরীরে শক্তি বর্ধনকারী
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ক. i ও ii।
৫৯। ওদের বাড়ির গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটার ঠিক এক দশা - বাক্যটিতে লেখক বউটি সম্পর্কে যে ইঙ্গিত দিয়েছেন
i. অসহায়
ii. নির্যাতিত
iii. অবহেলিত
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: খ. i ও iii।
ক. পাতা খ. বাকল
গ. ডাল ঘ. শিকড়
উত্তর: খ. বাকল।
৬১। রহিম মিয়া গাছগাছালি ব্যবহার করে চিকিৎসা করেন। তাকে তুমি কী বলবে?
ক. কবি খ. চিকিৎসক
গ. বিজ্ঞ ঘ. কবিরাজ
উত্তর: ঘ. কবিরাজ।
৬২। যিনি কবিতা লেখেন তাঁকে কী বলে?
ক. কবিরাজ খ. চিকিৎসক
গ. সাহিত্যিক ঘ. কবি
উত্তর: ঘ. কবি।
৬৩। অদৃশ্যলোক গ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
ক. ১৯৫৬ খ. ১৯৪৭
গ. ১৯৪৮ ঘ. ১৯৪৯
উত্তর: খ. ১৯৪৭।
৬৪। নিমগাছ গল্পের লেখক কে?
ক. কামিনী রায় খ. নীল লোহিত
গ. বনফুল ঘ. বীরবল
উত্তর: গ. বনফুল।
নিমগাছ গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর
১। চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ কোনটি?
উত্তর: নিমের পাতা।
২। বাড়ির পাশে নিমগাছ গজালে কারা খুশি হবে?
উত্তর: বিজ্ঞরা।
৩। বনফুলের প্রকৃত নাম কি?
উত্তর: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
৪। নিমগাছের কী ইচ্ছে করে?
উত্তর: নতুন ধরনের লোকটার সঙ্গে চলে যেত্
৫। নিমগাছ গল্পটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তর: অদৃশ্যলোক।
উত্তর: আবর্জনার স্তূপের মধ্যে।
৭। বনফুল কীসের মাধ্যমে সাহিত্য অঙ্গনে প্রবেশ করেন?
উত্তর: ১৯১৮ সালে শনিবারের চিঠি নামক পত্রিকায় ব্যঙ্গ-কবিতা ও প্যারোডি লেখার মাধ্যমে বনফুল সাহিত্য অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
৮। কোন পদে চাকরির মাধ্যমে বনফুলের কর্মজীবন শুরু হয়?
উত্তর: মেডিক্যাল অফিসার পদে চাকরির মাধ্যমে।
৯। সে ও আমি বনফুলের কী ধরনের রচনা?
উত্তর: উপন্যাস জাতীয় রচনা।
১০। নিমগাছের কী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে?
উত্তর: কচিপাতা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
নিমগাছটি না কাটলেও কেউ তার যত্ন করে না কেন?
কোনো যত্ন ছাড়াই নিমগাছ তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে বলে কেউ তার যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করে না। নিমগাছের মাধ্যমে অনেকেই কোনো না কোনোভাবে উপকৃত হয়। কিন্তু সেই নিমগাছেরও যে জীবন স্পন্দন আছে, সে ভাবনা ভাবে না কেউ। বস্তুত নিমগাছের কাছে থেকে বিনা পরিচর্যায় উপকার আদায়ের আশায় গাছটি না কাটলেও তার যত্ন নেওয়া দরকার মনে করে না কেউ।
হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো। লোকটি কে এবং কেন এসেছিলো?
নিমগাছের সুন্দর পাতা ও থোকা থেকে ফুলের বাহার দেখে অভিভূত হয়ে একজন কবি নিমগাছের কাছে এসেছিলেন। কবিরাজ তার চিকিৎসার কাজে, সাধারণ মানুষ প্রাত্যাহিক প্রয়োজনে নিমগাছকে ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু কেউ এই গাছের সামান্য যত্নও করে না। একদিন একজন কবি নিমগাছের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন এবং গাছটির কাছে এসে এর রূপ ও গুণের প্রশংসা করেন। সবাই নিমগাছের প্রয়োজনের দিক বিবেচনা করলেও কবি এর সৌন্দর্যের দিকটির মূল্যায়ন করেন।
শিকড় অনেক দূর চলে গেছে বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
নিমগাছের শিকড়ের সঙ্গে বাড়ির লক্ষ্মীবউয়ের সংসারের জালে চারিদিকে আবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি বোঝাবার জন্য প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে। নিমগাছের আড়ালে মূলত বাড়ির লক্ষ্মীবউয়ের কথা ফুটে উঠেছে নিমগাছ গল্পে। সে বাড়ির সকলের নানা উপকারে লাগলেও তার দিকে দৃষ্টি দেওয়ার কেউ নেই। হঠাৎ একদিন একজন লোকের আর্বিভাব হয়। সে তার গুণমুগ্ধ হয়ে ওঠে। তখন নিমগাছরূপী বউটার কাছে এ লোকটিকে বাড়ির অন্যান্য লোকদের তুলনায় বেশি মানবিক মনে হয়। ফলে তার সাথে চলে যেতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু এতদিনের সংসারের মায়াজাল সে কাটিয়ে উঠতে পারে না। এ বিষয়টি বর্ণনা করত গিয়েই লেখক বলেছেন, শিকড় অনেক দূর চলে গেছে।
কবিরাজ নয়, কবি - বুঝিয়ে লেখ
নতুন আসা লোকটির সম্পর্কে আলোচ্য উক্তিটি করা হয়েছে। কবিরাজরা নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকে। কারণ, তার চিকিৎসার কাজে নিমগাছ মহৌষধের জোগানদার। চিকিৎসা করতে নিমগাছকে ব্যবহার করবে বলে নিমগাছের প্রশংসা করে কবিরাজ। কিন্তু নতুন আসা লোকটি কবিরাজ না হলেও নিমগাছের প্রশংসা করে। কাব্যের আদলে নিমগাছের রূপকে ব্যাখ্যা করে বলে তাকে বলা হয় কবি।
নিমগাছ বাড়ির পাশে গজালে বিজ্ঞরা খুশি হন কেন?
নিমের হাওয়া ভালো বলে বাড়ির পাশে নিমগাছ গজালে বিজ্ঞরা খুশি হন। নিম খুব উপকারী বৃক্ষ। এর পাতা, বাকল, ও বাতাসের উপকারিতা বহুবিধ। প্রাত্যাহিক জীবনে নিমগাছের ব্যবহার ব্যাপক। তাই বাড়ির পাশে নিমগাছ গজালে বিজ্ঞরা খুশি হন।
বাড়ির পিছনে আবর্জনার স্তূপের মধ্যেই দাঁড়িয়ে রইলো সে ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে আবর্জনার স্তূপের অন্তরালে লেখক গ্রাম-বাংলার গৃহবধূদের প্রতি সংসারের সমস্ত অবহেলা ও অবজ্ঞার দিকটিকে বুঝিয়েছেন। সংসারে গৃহবধূদের অবস্থা নিমগাছ গল্পের নিমগাছটির মতো। সকলের উপকার করার পরও নিমগাছটি যেমন আবর্জনার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি সংসারের গৃহবধূরাও শত অবহেলা অবজ্ঞার মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাকে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা নিমগাছের অন্তরালে গ্রাম-বাংলার গৃহবধূদের অবহেলিত জীবনকেই বোঝানো হয়েছে।
নিমগাছ কীভাবে দাঁতের উপকারে আসে?
দাঁতের উপকারে নিমগাছ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিমগাছের কচি ডাল দাঁতের উপকারে আসে। কচি ডাল অনেকে চিবোয়, কেউ কেউ আবার ব্রাশের মতো ব্যবহার করে। নিচের ডালেও রয়েছে জীবাণু-প্রতিবাদী উপাদান যা দাঁতের নানা অসুখ দূর করে। দাঁত পরিষ্কারক হিসেবেও এটি অনন্য।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে নিমগাছ গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর (MCQ) সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং উপকৃত হতে পেরেছেন। এ রকম আরো তথ্যমূলক পোস্ট পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন। প্রিয় পাঠক, এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url