লালসালু উপন্যাসের (MCQ PDF Download) বিস্তারিত জেনে নিন

প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে লালসালু উপন্যাসের (MCQ) গুলো বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আপনি যদি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে লালসালু উপন্যাসের (MCQ) গুলো বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রিয় পাঠক, চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
লালসালু উপন্যাসের (MCQ) বিস্তারিত জেনে নিন
লালসালু একটি সামাজিক সমস্যামূলক উপন্যাস। এর বিষয়: যুগ-যুগ ধরে শেকড়গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভীতির সঙ্গে সুস্থ জীবনাকাঙ্খার দ্বন্দ্ব। গ্রামবাসীর সরলতা ও ধর্মবিশ্বাসর সুযোগ নিয়ে ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ী মজিদ প্রতারণাজাল বিস্তারের মাধ্যমে কীভাবে নিজের শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে তারই বিবরণে সমৃদ্ধ লালসালু উপন্যাস। কাহিনিটি ছোট, সাধারণ ও সামান্য; কিন্তু এর গ্রন্থনা ও বিন্যাস অত্যান্ত মজবুত: লেখক সাধারণ একটি ঘটনাকে অসামান্য নৈপুণ্যে বিশ্লেষণী আলো ফেলে তাৎপর্যমণ্ডিত করে গড়ে তুলেছেন। লালসালু উপন্যাসের মূল চরিত্র হলো মজিদ। মজিদকে ঘিরেই অনান্য চরিত্রের বিকাশ ঘটেছে এবং নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।

অন্যাণ্য চরিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ খালেক ব্যাপারি, আক্কাস, তাহের-কাদেরের বাপ, রহিমা, জমিলা ও হাসুনির মা। লালসালু কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মবোধের প্রতীক, অন্ধ ধর্মাচ্ছন্নতার প্রতীক। তারপরও অসহায় দুর্বল মানুষের মানসিক সান্ত্বনার শেষ আশ্রয়স্থল হলো মাজার। তাই ভণ্ড, প্রতারক, ধর্মব্যবসায়ীরা এ সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রেখেছে। লালসালুর দৌরাত্ম্য শোষিত ও নিঃস্ব হচ্ছে সরল অন্ধবিশ্বাসী সাধারণ মানুষ। কারণ একটাই, তাদের সচেতনতার উৎস ঢাকা পড়ে আছে লালসালুর সেই অলৌকিক শক্তির কাছে। এদিক বিবেচনায় উপন্যাসের নামকরণ লালসালু যথার্থ ও সার্থক হয়েছে।

পোস্টটি শেষে যে বিষয়গুলো জানতে পারবেন তা হলোঃ

  • লালসালু উপন্যাসের MCQ
  • লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর
  • লালসালু উপন্যাসের মূলভাব
  • লালসালু উপন্যাসের অনুধাবনমূলক প্রশ্নোত্তর
  • লালসালু উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ লাইন
  • লালসালু উপন্যাসের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
  • মহিগঞ্জের সড়কের দিকে তাকিয়ে তাহের বিষ্মিত হয়েছিলো কেন?
  • খালেক ব্যাপারি আর মজিদের শক্তির মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
  • জমিলার মনে কেন বিদ্রোহ জাগে?
  • সেই স্বপ্নই তাকে নিয়ে এসেছে বহুদূরে ব্যাখ্যা কর।
  • মজিদ আওয়ালপুরে গিয়েছিলো কেন?

লালসালু উপন্যাসের (MCQ)

১. মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
ক. অবধারিত খ. নাটকীয়
গ. কাব্যিক ঘ. স্বাভাবিক
উত্তর: খ. নাটকীয়।

২. মাজারটি তার শক্তির মূল বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
ক. বিশ্বাস খ. আনুগত্য
গ. ভীতি ঘ. অনুরাগ
উত্তর: ক. বিশ্বাস।

৩. বাংলাদেশের কথা সাহিত্যক আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ কে?
ক. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ খ. মীর মশারফ হোসেন
গ. কাজী নজরুল ইসলাম ঘ. আবু ইসহাক
উত্তর: ক. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।

৪. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কর্মসুত্রে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন শেষে দীর্ঘদিন কোথায় কর্মরত ছিলেন?
ক. ভারতে খ. ইরাকে
গ. ইরানে ঘ. প্যারিসে
উত্তর: ঘ. প্যারিসে।

৫. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কোন উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হয়?
ক. কাঁদো নদী কাঁদো খ. চাঁদের অমাবস্যা
গ. লালসালু ঘ. চাঁদের অমাবস্যা ও লালসালু
উত্তর: গ. লালসালু।

৬. কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাটটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
ক. ১৯৬৮ সালে খ. ১৯৪৮ সালে
গ. ১৯৬৪ সালে ঘ. ১৯৫১ সালে
উত্তর: ক. ১৯৬৮ সালে।

৭. নয়নচারা গল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
ক. ১৯৪৮ সালে খ. ১৯৪৬ সালে
গ. ১৯৫২ সালে ঘ. ১৯৬১ সালে
উত্তর: খ. ১৯৪৬ সালে।

৮. দুই তীর ও অন্যান্য গল্প গল্পগ্রন্থটির প্রকাশকাল কত?
ক. ১৯৬৫ খ. ১৯৬৪
গ. ১৯৬৭ ঘ. ১৯৫৬
উত্তর: ক. ১৯৬৫।

৯. লালসালু উপন্যাসে ওপন্যাসিক রেলগাড়ির ধৈর্য দ্বারা কিসের ইঙ্গিত দিয়েছেন?
ক. সভ্যতার খ. আধুনিকতার
গ. নোয়াখালির মানুষের ঘ. যোগাযোগ ব্যবস্থার
উত্তর: গ. নোয়াখালির মানুষের।

১০. নোয়াখালি অঞ্চলে শস্যের চেয়ে কি বেশি?
ক. আগাছা খ. চুপি
গ. হুজুর ঘ. পীল
উত্তর: খ. চুপি।

১১. কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ-কেন?
ক. মানুষহীন বলে খ. ধর্মহীন বলে
গ. কর্মহীন বলে ঘ. শস্যহীন বলে
উত্তর: শস্যহীন বলে।

১৩. মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল কেন?
ক. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে খ. আল্লাহওয়ালা ভাব প্রদর্শনে
গ. গভীর ধ্যানে ঘ. পীরসাহেবের আদেশে
উত্তর: খ. আল্লাহওয়ালা ভাব প্রদর্শনে।

১৪. মজিদের শারীরিক গড়নের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য?
ক. মোটাসোটা খ. যৌবনশক্তির অধিকারী
গ. শীর্ণকায় ঘ. তেজস্বী পুরুষ
উত্তর: গ. শীর্ণকায়।

১৫. মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিস্কারে স্বপ্নের ঘটনা বর্ণনায় মজিদ চরিত্রের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?
ক. ধর্মভীরুতা খ. ধর্মান্ধতা
গ. সচেতনতা ঘ. মিথ্যাচার
উত্তর: ঘ. মিথ্যাচার।

১৬. বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানুষ আসতে শুরু করে কেন?
ক. মজিদকে দেখতে খ. মাজার দেখতে
গ. মোদাচ্ছের পীরকে দেখতে ঘ. মাজারে মানত করতে
উত্তর: ঘ. মাজারে মানত করতে।

১৭. রহিমা চরিত্রের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
ক. শক্তিমান খ. একরোখা
গ.কঠোর ঘ. প্রতিবাদী
উত্তর: ক. শক্তিমান।

১৮. রহিমার মধ্যে মজিদের প্রতি কোন বিষয়টি বিদ্যমান ছিল?
ক. ছলনা খ. অধৈর্যশীল
গ. শ্রদ্ধা ঘ. সাহস
উত্তর: গ. শ্রদ্ধা।

১৯. মজিদের মতে কাকে কষ্ট দেওয়া গুনাহ?
ক. মাটিকে খ. বৃক্ষকে
গ. প্রকৃতিকে ঘ. শত্রুকে
উত্তর: ক. মাটিকে।

২০. মাঠে গিয়ে মানুষ মেঠো হয়ে ওঠে কেন?
ক. হিংস্রতার কবলে পড়ে খ. তীব্র রোগে
গ. কাদ-মাটির ঘষায় ঘ. ফসল ফলানোর জন্য
উত্তর: ঘ. ফসল ফলানোর জন্য।

২১. মজিদ কার চোখে ভয় দেখেছে?
ক. জমিলার খ.আমেনার
গ. রহিমার ঘ. হাসুনির মা
উত্তর: গ. রহিমার।

২২. মজিদ চরিত্রের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি গ্রহণযোগ্য?
ক. পীর খ. দরবেশ
গ. ধর্মভীরু ঘ. ধর্মব্যবসায়ী
উত্তর: ঘ. ধর্মব্যবসায়ী।

২৩. দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে কেন?
ক. সাত সন্তানের জনক বলে খ. কলমা জানে না তাই
গ. ধর্মের বাণী শোনে বলে ঘ. ধর্ম-কর্ম জানে না বলে
উত্তর: খ. কলমা জানে না বলে।

২৪. মজিদের শক্তির মূল উৎস কি?
ক. ধর্ম খ. কোরান
গ. সম্পত্তি ঘ. মাজার
উত্তর: ঘ. মাজার।

২৫. মহব্বতনগরবাসীর কাছে রহস্যময় কে?
ক. খালেক ব্যাপারী খ. আওয়ালপুরের পীর
গ. রহিমা বিবি ঘ. মজিদ
উত্তর: ঘ. মজিদ।

২৬. মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী কে?
ক. রহিমা বিবি খ. খালেক ব্যাপারী
গ. জমিলা ঘ. হাসুনির মা
উত্তর: ক. রহিমা বিবি।

২৭. হাবীবা প্রায়ই মানবকল্যাণে মাজারে গিয়ে প্রার্থনা করে। এখানে হাবীবার সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের রহিমার কোন বিষয়টি মিল রয়েছে?
ক. জনকল্যাণ সাধন খ. মানবতাবোধ
গ. ধর্মভীরুতা ঘ. কল্যাণচিন্তা
উত্তর: গ. ধর্মভীরুতা।

২৮. রহিমা অতি সংগোপনে মাজারে গিয়ে কি আর্জি জানায়?
ক. মানবকল্যাণের খ. সংসার সমৃদ্ধির
গ. সন্তানের ঘ. স্বামীর মঙ্গলের
উত্তর: গ. সন্তানের।

২৯. মাজারে গিয়ে সন্তান কামনার বিষয়টিতে রহিমা চরিত্রের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?
ক. মাতৃ আকাঙ্খা খ. বংশরক্ষা
গ. স্বামীর ইচ্ছাপূরণ ঘ. মর্যাদা রক্ষা
ক. মাতৃ আকাঙ্খা।

৩০. হাসুনির মায়ের ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য?
ক. নব্য বিবাহিতা খ. সধবা
গ. বিধবা ঘ. শক্তিধর
উত্তর: গ. বিধবা।

৩১. বাবা-মায়ের ঝগড়ার সময় তাহের-কাদের চুপ থাকে কেন?
ক. ধর্মে বাধা আছে তাই খ. স্বার্থের মোহে
গ. সম্মান বাঁচানোর জন্য ঘ. মজিদের ভয়ে
উত্তর: খ. স্বার্থের মোহে।

৩২. হাসুনির মায়ের কথা শুনে রহিমার চোখ ছলছল করছিল কেন?
ক. সমবেদনা প্রকাশে খ. ব্যথিত হয়ে
গ. সম্মানার্থে ঘ. বর্বরতা শুনে
উত্তর: ক. সমবেদনা প্রকাশে।

৩৩. তা হুজুর, ঘরের কথা আপনারে ক্যামনে কই?-উক্তিটি কার?
ক. তাহেরের খ. হাসুনির মায়ের
গ. তাহেরের মায়ের ঘ. তাহেরের বাবার
উত্তর: ঘ. তাহেরের বাবার।

৩৪. ঢেঙা-বুড়ো ঘরের কথা মজিদকে বলতে না চাওয়ায় তার চরিত্রের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?
ক. প্রতিবাদী মনোভাব খ. হিংসাবোধ
গ. মজিদবিরোধী ভাব ঘ. আত্মসম্মানবোধ
উত্তর: ঘ. আত্মসম্মানবোধ।

৩৫. ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা কার বাড়িতে গিয়েছিলো?
ক. স্বামীর খ. খালেক ব্যাপারীর
গ. মজিদের ঘ. তাহেরের
উত্তর: গ. মজিদের।

৩৬. ঢেঙা বুড়োকে কি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়?
ক. সার্থক পিতা খ. তেজি পুরুষ
গ. বদমেজাজি ঘ. কর্মঠ
উত্তর: গ. বদমেজাজি।

৩৭. হাসুনির মা বাড়িতে যেতে চায় না কেন?
ক. স্বামীর ভয়ে খ. বাবার ভয়ে
গ. মায়ের ভয়ে ঘ. ভাইদের ভয়ে
উত্তর: খ. বাবার ভয়ে।

৩৮. ঢেঙা বুড়োর অন্তরে কি বিদ্যমান?
ক. হিংসা খ. লোভ
গ. অবিশ্বাস ঘ. কুসংস্কার
উত্তর: গ. অবিশ্বাস।

৩৯. মহব্বতনগর গ্রামের মাতবর কে?
ক. মজিদ খ. খালেক ব্যাপারী
গ. পীরসাহেব ঘ. রহিমা বিবি
উত্তর: খ. খালেক ব্যাপারি।

৪০. ঢেঙা বুড়োর বিচারে মানুষকে ধর্মের বাণী শোনানোয় মজিদের মধ্যে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
ক. দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা খ. ধর্মের বাণী দিয়ে মানুষকে দুর্বল করার চেষ্টা
গ. ধর্মভীরুতা ঘ. ধর্ম দিয়ে বিচার করা
উত্তর: খ. ধর্মের বাণী দিয়ে মানুষকে দুর্বল করার চেষ্টা।

৪১. মজিদের কণ্ঠে কোন বিষয়টি বিদ্যমান?
ক. হিংসা খ. দ্বেষ
গ. কঠোরতা ঘ. মধু
উত্তর: ঘ. মধু।

৪২. ঝড় এলে হাসুনির মায়ের কি করার অভ্যাস?
ক. স্বামীর চিন্তা খ. মাজারের চিন্তা
গ. হই হই করা ঘ. সংসারের চিন্তা
উত্তর: গ. হই হই করা।

৪৩. মজিদের শিক্ষায় গ্রামবাসী ভালোভাবে কি বুঝেছে?
ক. ধর্মবিশ্বাস খ. মাজার বিশ্বাস
গ. আল্লাহতে বিশ্বাস ঘ. কুসংস্কারে বিশ্বাস
উত্তর: গ. আল্লাহতে বিশ্বাস।

৪৪. দুর্লঙ্ঘনীয় রহস্যে আবৃত কি?
ক. মাজার খ. মজিদ চরিত্র
গ. রহিমা ঘ. খালেক ব্যাপারী
উত্তর: ক. মাজার।

৪৫. বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর হাসুনির মা মজিদের বাড়িতে আসত না কেন?
ক. লজ্জায় খ. অভিমানে
গ. ক্ষোভে ঘ. ব্যস্ততায়
উত্তর: ক. লজ্জায়।

৪৬. মজিদ হাসুনির মায়ের কাছ থেকে কি চেয়েছিলো?
ক. তামাক খ. বিড়ি
গ. আগুন ঘ. পাত্র
উত্তর: ক. তামাক।

৪৭. মজিদ হাসুনির মাকে কি রঙের শাড়ি কিনে দিয়েছিলো?
ক. লাল খ. সাদা
গ. বেগুনি ঘ. হলুদ
উত্তর: গ. বেগুনি।

৪৮. আমীর আলি প্রায়ই বাড়ির কাজের মেয়ের প্রতি কুনজর দেয়। এখানে আমীর আলি লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
ক. খালেক ব্যাপারী খ. মজিদ
গ. ঢেঙা বুড়ো ঘ. তাহের
উত্তর: খ. মজিদ।

৪৯. মজিদের ডাকের স্বরে সর্বদা কোন বিষয়টি বিদ্যমান?
ক. মধু খ. হিংসা
গ. করুণ্য ঘ. প্রভুত্ব
উত্তর: ঘ. প্রভুত্ব।

৫০. রহিমার শরীর ভরা কিসের গন্ধ ছিল?
ক. সুগন্ধির খ. আগরবাতির
গ. ধানের ঘ. ফুলের
উত্তর: গ. ধানের।

৫১. সবাইকে কি বলে সম্বোধন করা মজিদের অভ্যাস?
ক. সাহেব খ. হুজুর
গ. মিঞা ঘ. সাধু
উত্তর: গ. মিঞা।

৫২. একসময় বাংলার ঘরে ঘরে ধান উঠত তখন গ্রামে গ্রামে পীরদের আগমন ঘটত। উদ্দীপকটি লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
ক. মজিদ খ. খালেক ব্যাপারী
গ. আওয়ালপুরে আগত পীর ঘ. মতলুব খাঁ
উত্তর: গ. আওয়ালপুরে আগত পীর।

৫৩. আওয়ালপুরে আগত পীরের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি গ্রহণযোগ্য?
ক. মৌসুমি পীর খ. স্থায়ী পীর
গ. ভণ্ডপীর ঘ. যুবক পীর
উত্তর: ক. মৌসুমি পীর।


৫৪. পাথর এবার হঠাৎ নড়ে। এখানে পাথর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক. মজিদ খ. জমিলা
গ. রহিমা ঘ. আমেনা
উত্তর: ক. মজিদ।

৫৫. রাত যত গভীর হয় তত আগুন হয়ে ওঠে মাথা-কথাটিতে মজিদ চরিত্রের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
ক. প্রতিহিংসা খ. লালসা
গ. ঘৃণা ঘ. হতাশা
উত্তর: ক. প্রতিহিংসা।

৫৬. কার বাড়ির সামনের মাঠে লোকে লোকারণ্য হয়েছিলো?
ক. খালেক ব্যাপারীর খ. মজিদের
গ. মতলুব খাঁর ঘ. ঢেঙা বুড়োর
উত্তর: গ. মতলুব খাঁর।

৫৭. পীর আবিদুল রহমান আরবি ভাষায় বয়ান দিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। এখানে পীর আবিদুর রহমানের সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
ক. মজিদ খ. খালেক ব্যাপারীর
গ. আওয়ালপুরে আগত পীর ঘ. আমেনা বিবি
উত্তর: গ. আওয়ালপুরে আগত পীর।

৫৮. আওয়ালপুরে আগত পীরের মধ্যে কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?
ক. হিংসা খ. ধর্মান্ধতা
গ. ধর্মব্যবসায় ঘ. সাধুতা
উত্তর: গ. ধর্মব্যবসায়।

৫৯. আওয়ালপুরে আগত পীর আছরের সময় কোন নামাজ পড়েছিল?
ক. ফজর খ. জোহর
গ. আসর ঘ. মাগরিব
উত্তর: খ. জোহর।

৬০. লালসালু উপন্যাসে কার চোখে বেদনার পানি ছিল?
ক. ধলা মিয়ার খ. ঢেঙা বুড়োর
গ. তাহেরের ঘ. কালু মিয়ার
উত্তর: ঘ. কালু মিয়ার।

৬১. মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিলো কেন?
ক. সমবেদনা প্রকাশ করতে খ. বয়ান দিতে
গ. ডাক্তার দেখাতে ঘ. রোগীর সঙ্গে আলাপ করতে
উত্তর: ক. সমবেদনা প্রকাশ করতে।

৬২. ভাবতে ভাবতে ধলা মিয়া কি বনে যায়?
ক. পাগল খ. পাথর
গ. কালা মিয়া ঘ. পীর
উত্তর: গ. কালা মিয়া।

৬৩. আওয়ালপুরে আগত পীরের প্রতি আমেনা বিবির কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
ক. ক্রোধ খ. অবিশ্বাস
গ. ক্ষোভ ঘ. অন্ধবিশ্বাস
উত্তর: ঘ. অন্ধবিশ্বাস।

৬৪. ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলেছিল কেন?
ক. আত্মীয় বাড়ি যেতে খ. বিশেষ খবর পাঠাতে
গ. ব্যবসায়ের কাজে ঘ. পানিপড়া আনতে
উত্তর: ঘ. পানিপড়া আনতে।

৬৫. ধলা মিয়া আওয়ালপুরে যেতে চায় না কেন?
ক. ভয়ে খ. বোনের কারণে
গ. মজিদের কারণে ঘ. সমাজপতিদের কারণে
উত্তর: ক. ভয়ে।

৬৬. ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুল গাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?
ক. কুসংস্কারে বিশ্বাস খ. সংস্কারে বিশ্বাস
গ. পুরনো ধ্যাণধারণা ঘ. অসতর্ক অবস্থান
উত্তর: ক. কুসংস্কারে বিশ্বাস।

৬৭. কোন ইঙ্গিতটা স্পষ্ট ও লোভনীয়?
ক. রুই মাছের খ. খেলাপের
গ. বিবির ঘ. টাকার
উত্তর: ঘ. টাকার।

৬৮. আওয়ালপুরে আগত পীরকে মজিদ কি হিসেবে আখ্যায়িত করছে?
ক. ঠগবাজ খ. খাটাশ
গ. ইবলিশ ঘ. গরু
উত্তর: গ. ইবলিশ।

৬৯. খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভয় পায় কেন?
ক. মাজারের কারণে খ. ধর্মভীতির কারণে
গ. টাকা-পয়সা বেশি বলে ঘ. ক্ষমতাধর বলে
উত্তর: খ. দর্মভীতির কারণে।

৭০. আমেনা বিবির ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য?
ক. সুখী খ. নিঃসন্তান
গ. দরিদ্র ঘ. কুৎসিত
উত্তর: খ. নিঃসন্তান।

৭১. কে কেরায়া নায়ের মাঝি হতে চেয়েছিলো?
ক. কাদের খ. তাদের
গ. রতন ঘ. আক্কাস
উত্তর: গ. রতন।

৭২. ঢেঙা বুড়োর স্ত্রী জানাজা পড়ানোর কথা ছিল কার?
ক. মজিদের খ. মতলু খাঁর
গ. মোল্লা শেখের ঘ. আওয়ালপুরে আগতে পীরের
উত্তর: গ. মোল্লা শেখের।

৭৩. রহিমা কখন আমেনাদের বাড়িতে গিয়েছিলো?
ক. সকালে খ. দুপুরে
গ. বিকালে ঘ. সন্ধায়
উত্তর: খ. দুপুরে।

৭৪. রহিমা আমেনার বাড়িতে গিয়েছিলো কেন/
ক. তাকে দেখতে খ. খাবার দিতে
গ. গল্প করতে ঘ.পানিপড়া দিতে
উত্তর: ঘ. পানিপড়া দিতে।

৭৫. মজিদ ও খালেক ব্যাপারীর মধ্যে কোন বিষয়টিতে বৈসাদৃশ্য রয়েছে?
ক. ধর্মবিশ্বাসে খ. ধর্মবোধে
গ. কাজে ঘ. মনের দিক থেকে
উত্তর: খ. ধর্মবোধে।

৭৬. তানি যে খোদার মানুষ-কে?
ক. মজিদ খ. খালেক ব্যাপারী
গ. মতলুব খাঁ ঘ. আওয়ালপুরে আগত পীর
উত্তর: ক. মজিদ।

৭৭. মজিদের নাড়ির প্যাঁচ সারানো বিষয়টিতে কি উপস্থাপিতি হয়েছে?
ক. চিকিৎসা পদ্ধতি খ. কুসংস্কার
গ. ধর্মান্ধতা ঘ. শোষণ
উত্তর: খ. কুসংস্কার।

৭৮. উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিশ্রান্ত বোধ করে কেন?
ক. শারীরিক দুর্বলতায় খ. মজিদের কারণে
গ. মাজারের ভয়ে ঘ. তানু বিবির কারণে
উত্তর: ক. শারীরিক দুর্বলতায়।

৭৯. আমেনা বিবি কিসে চড়ে মজিদের কাছে গিয়েছিলো?
ক. পালকি দিয়ে খ. পায়ে হেঁটে
গ. রিকশা দিয়ে ঘ. ঘোড়ার গাড়িতে
উত্তর: ক. পালকি দিয়ে।

৮০. আমেনা বিবিকে মজিদ কোথায় নিতে বলেছিলো?
ক. ঘরে খ. উঠানে
গ. বারান্দায় ঘ. মাজারে
উত্তর: ঘ. মাজারে।

৮১. মজিদ বারবার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল কেন?
ক. মনোভাব বুঝতে খ. কড়া শাসনে রাখতে
গ. ভীতি সৃষ্টিতে ঘ. রূপের মোহে
উত্তর: ঘ. রূপের মোহে।

৮২. মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় কেন?
ক. ক্ষমতার দুর্বলতায় খ. ভক্তি-শ্রদ্ধায়
গ. ধর্মভীতির কারণে ঘ. অভিশাপের ভয়ে
উত্তর: গ. ধর্মভীতির কারণে।

৮৩. মাজারে পাক দেওয়ার সময় আমেনা বিবি কোন দিক থেকে শুরু করে?
ক. ডানদিক খ. বাঁ দিক
গ. পূর্ব দিক ঘ. উত্তর দিক
উত্তর: ক. ডানদিক।

৮৪. রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো কিভাবে দেখছিল?
ক. অপলক ‍দৃষ্টিতে খ. ঘরের কোনায় দাঁড়িয়ে
গ. বেড়ার ফুটো দিয়ে ঘ. জানালা দিয়ে
উত্তর: গ. বেড়ার ফুটো দিয়ে।

৮৫. আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মুর্ছা গিয়েছিলো কেন?
ক. ভয়ে খ. মজিদের অলৌকিক ক্ষমতায়
গ. মাজারের ক্ষমতায় ঘ. শারীরিক দুর্বলতায়
উত্তর: ঘ. শারীরিক দুর্বলতায়।

৮৬. খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে কেন?
ক. ভয়ে খ. ক্রোধে
গ. সন্দেহে ঘ. বিশ্বাসে
উত্তর: গ. সন্দেহে।

৮৭. মজিদের কথামতো কাজ করায় খালেক ব্যাপারীর কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?
ক. ব্যক্তিত্বহীনতা খ. চরিত্রহীনতা
গ. গোলামি ঘ. সহজ-সরল
উত্তর: ক. ব্যক্তিত্বহীনতা।

৮৮. আমেনা বিবির ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য?
ক. অশান্ত খ. স্বামীভীরু
গ. বদমেজাজি ঘ. সহজ-সরল
উত্তর: খ. স্বামীভীরু।

৮৯. কোন গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌঁছেছে?
ক. আমগাছ খ. জামগাছ
গ. নারিকেলগাছ ঘ. তালগাছ
উত্তর: ঘ. তালগাছ।

৯০. মোদাব্বের মিঞার ছেলের নাম কি?
ক. ধলা মিয়া খ. আক্কাস
গ. তাহের ঘ. কাদের
উত্তর: খ. আক্কাস।

৯১. আক্কাস মহব্বতনগর গ্রামে কি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল?
ক. হাসপাতাল খ. স্কুল
গ. কলেজ ঘ. এনজিও
উত্তর: খ. স্কুল।

৯২. রাকিব তার গ্রামের মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো বিস্তার করার জন্য নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করতে চায়। এখানে রাকিব লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
ক. আক্কাস খ. তাহের
গ. কাদের ঘ. ধলা মিয়া
উত্তর: ক. আক্কাস।

৯৩. মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রের কোন বিষয়টি উন্মোচিত হয়েছে?
ক. হিংসা খ. অজ্ঞতা
গ. শোষণ ঘ. বিদ্বেয়
উত্তর: গ. শোষণ।

৯৪. তানু বিবির তানি মানে কে?
ক. মজিদ খ. খালেক ব্যাপারী
গ. ধলা মিয়া ঘ. মতলুব খাঁ
উত্তর: খ. খালেক ব্যাপারি।

৯৫. বেত্তমিজের মতো কথা কইস না-উক্তিটি কার সম্পর্কে করা হয়েছিলো?
ক. আক্কাস খ. তাহের
গ. কাদের ঘ. ধলা মিয়া
উত্তর: ক. আক্কাস।

৯৬. মহব্বতনগর গ্রামে বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিলো কে?
ক. মজিদ খ. খালেক ব্যাপারী
গ. মোদাব্বের মিঞা ঘ. মতলুব খাঁ
উত্তর: খ. খালেক ব্যাপারী।

৯৭. মহব্বতনগর গ্রামে বড় মসজিদ নির্মাণে খালেক ব্যাপারীর বারো আনা খরচ বহন করতে চাওয়ার মধ্যে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
ক. ধর্মান্ধতা খ. কল্যাণচিন্তা
গ. মানবতাবোধ ঘ. ধর্মভীরুতা
উত্তর: ধর্মভীরুতা।

৯৮. মজিদের যশ, খ্যাতির প্রধান উৎস কি?
ক. পুরনো কবরটি খ. ক্ষমতা
গ. দক্ষতা ঘ. খালেক ব্যাপারী
উত্তর: ক. পুরনো কবরটি।

৯৯. মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ কি?
ক. নিঃসন্তান হওয়ায় খ. মাজার রহস্য উন্মোচন হওয়ার ভয়ে
গ. গ্রামের মানুষের কাছে অবহেলিত হওয়ায় ঘ. আওয়ালপুরে আগত পীরের কারণে
উত্তর: ক. নিঃসন্তান হওয়ায়।


১০০. আমাগো যদি পোলাপাইন থাকত-উক্তিটি কার?
ক. খালেক ব্যাপারীর খ. আমেনার
গ. রহিমার ঘ. মজিদের
উত্তর: ঘ. মজিদের।

১০১. আওলাঘরের চালের উপর রহিমা কি শুকাতে দিয়েছিলো?
ক. শাড়ি খ. গামছা
গ. কদুর বিচি ঘ. মশারি
উত্তর: গ. কদুর বিচি।

১০২. মজিদের নেশার প্রয়োজন বলেতে কি বোঝানো হয়েছে?
ক. অর্থ-সম্পত্তির ক. নতুন স্ত্রীর
গ. আমেনাকে পাওয়ার ইচ্ছা ঘ. হাসুনির মাকে পাওয়ার ইচ্ছা
উত্তর: খ. নতুন স্ত্রী।

১০৩. মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে-এখানে অন্য কথা বলতে কি বোঝেনো হয়েছে?
ক. দ্বিতীয় বিয়ে ক. সম্পত্তির লোভ
গ. বদ মতলব ঘ. হীনস্বার্থ
উত্তর: ক. দ্বিতীয় বিয়ে।

১০৪. তোমার একটা সাথি আনুম? এখানে সাথি বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
ক. বান্ধবী খ. বন্ধু
গ. ভাই ঘ. সতিন
উত্তর: ঘ.সতিন।

১০৫. জগদীশ মালো বংশ রক্ষার জন্য দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়। এখানে জগদীশ মালো লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
ক. খালেক ব্যাপারী খ. মজিদ
গ. মতলুব খাঁ ঘ. আক্কাস
উত্তর: খ. মজিদ।

১০৬. মজিদের দ্বিতীয় বিয়েতে নীরব থাকার রহিমা চরিত্রের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
ক. দুর্বলতা খ. স্বামীভক্তি
গ. নির্যাতনের শিকার হওয়া ঘ. মানসিক চাপের শিকার হওয়া
উত্তর: ক. দুর্বলতা।

১০৭. মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছিলো কোন মাসে?
ক. বৈশাখ খ. জ্যৈষ্ঠ
গ. ভাদ্র ঘ. শ্রাবণ
উত্তর: খ. জ্যৈষ্ঠ।

১০৮. মজিদের দ্বিতীয় বিয়ের উদ্দেশ্য কি ছিল?
ক. সন্তান কামনা খ. বাড়িতে আনন্দ বিস্তার
গ. জৈবিক চাহিদা পূরণ ঘ. রহিমার নিঃসঙ্গতা দূরীকরণ
উত্তর: গ. জৈবিক চাহিদা।

১০৯. একদিন বাইরের ঘর থেকে মজিদ সোনালি মিহির সুন্দর কিসের ঝংকার শুনতে পায়?
ক. নূপুরের খ. হাসির
গ. কথার ঘ. গানের
উত্তর: খ. হাসির।

১১০. মুসলমানের মাইয়ার হাসি কেউ কখনো হুনে না-উক্তিটিতে মজিদের কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?
ক. শাসন খ. শোষণ
গ. ধর্মান্ধতা ঘ. হিংসা
উত্তর: গ. ধর্মান্ধতা।

১১১. রহিমা জমিলাকে হাসি থামাতে বলে কেন?
ক. মজিদের ভয়ে খ. সমাজপতিদের ভয়ে
গ. লোকলজ্জার ভয়ে ঘ. মাজারের ভয়ে
উত্তর: গ. লোকলজ্জার ভয়ে।

১১২. আমি ভাবলাম, তানি বুঝি দুলার বাপ-এখানে তানি কাকে বলা হয়েছে?
ক. মজিদকে খ. খালেক ব্যাপারীকে
গ. আক্কাসকে ঘ. মতলুব খাঁকে
উত্তর: ক. মজিদকে।

১১৩. জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার কোন অসংগতির শিকার?
ক. বাল্যবিবাহ খ. দরিদ্রতা
গ. সমাজপতিদের হীনস্বার্থ ঘ. ধর্মীয় কুসংস্কার
উত্তর: ক. বাল্যবিবাহ।

১১৪. রহিমা জমিলাকে কি বলে সম্বোধন করে?
ক. বোন খ. আপা
গ. সতিন ঘ. শাশুড়ি
উত্তর: ক. বোন।

১১৫. জলিলা পাটি বুনতে বুনতে কেঁদে উঠেছিল কেন?
ক. মজিদের গর্জনে খ. রহিমার গম্ভীর স্বর শুনে
গ. মাজারের ভয়ে ঘ. বাড়ির কথা মনে হওয়ায়
উত্তর: খ. রহিমার গম্ভীর স্বর শুনে।

১১৬. সালমা-সন্ধ্যা দুজন সতিন হলেও বেশ মিলেমিশে বাস করে । উদ্দীপকটি লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
ক. আমেনা-জমিলা খ. জমিলা-তানু বিবি
গ. রহিমা-জমিলা ঘ. রহিমা-আমেনা
উত্তর: গ. রহিমা-জমিলা।

১১৭. একদিন মাজারে এসে তীক্ষ্ণ আর্তনাদ শুরু করেছিলো কে?
ক. ঢেঙা বুড়ো খ. হাসুনির মা
গ. জমিলা ঘ. খ্যাংটা বুড়ি
উত্তর: ঘ. খ্যাংটা বুড়ি।

১১৮. খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল কেন?
ক. মেয়ের মৃত্যেুতে খ. ছেলের মৃত্যেুতে
গ. স্বামীর মৃত্যেুতে ঘ. বাবার মৃত্যেুতে
উত্তর: খ. ছেলের মৃত্যেুতে।

১১৯. লালসালু উপন্যাসে কোন পাড়ায় উৎসবের কথা বর্ণিত আছে?
ক. মালোপাড়া খ. উত্তরপাড়া
গ. মাজারপাড়া ঘ. ডোমপাড়া
উত্তর: ঘ. ডোমপাড়া।

১২০. কার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল?
ক. আমেনার খ. হাসুনির মায়ের
গ. ঢেঙা বুড়োর ঘ. খ্যাংটা বুড়ির
উত্তর: ঘ. খ্যাংটা বুড়ির।

১২১. লালসালু উপন্যাসে জমিলার কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
ক. ধর্মভীরুতার খ. স্বামীভক্তির
গ. মাজার ভক্তির ঘ. স্বাধীনচেতার
উত্তর: ঘ. স্বাধীনচেতনার।

১২২. সাবিলা প্রায়ই এশার নামাজ না পড়ে সন্ধ্যা বেলায়ই ঘুমিয়ে পড়ে। এখানে সাবিলার সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের কার সাদৃশ্য রয়েছে?
ক. রহিমার খ. জমিলার
গ. আমেনার ঘ. তানু বিবির
উত্তর: খ. জমিলার।

১২৩. মজিদের প্রতি জমিলার কোন পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে?
ক. বিনয়ী খ. মানবিক
গ. বিদ্বেষপূর্ণ ঘ. বিরুদ্ধ
উত্তর: ঘ. বিরুদ্ধ।

১২৪. মজিদের মতে খোদার ভয় নেই কার?
ক. জমিলার খ. ঢেঙা বুড়োর
গ. রহিমার ঘ. তাহেরের
উত্তর: ক. জমিলার।

১২৫. শিরনি রান্নার তদারকি করছিল কে?
ক. খালেক ব্যাপারী খ. মোদাব্বের আলি
গ. রহিমা ও জমিলা ঘ. হাসুনির মা
উত্তর: গ. রহিমা ও জমিলা।

১২৬. জিকির করতে করতে কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল?
ক. মজিদ খ. জমিলা
গ. খালেক ব্যাপারী ঘ. মতলুব খাঁ
উত্তর: ক. মজিদ।

১২৭. এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে?
ক. বাঘের খ. সিংহের
গ. গরিলার ঘ. বিড়ালের
উত্তর: খ. সিংহের।

১২৮. নামাজের সময় সেজদায় গিয়ে জমিলা আর ওঠেনি কেন?
ক. ঘুমিয়ে পড়ায় খ. শারীরিক অসুস্থতায়
গ. ভূতে ধরায় ঘ. জীনে ধরায়
উত্তর: ক. ঘুমিয়ে পড়ায়।

১২৯. জমিলা থরথর করে কাঁপতে থাকে কেন?
ক. ভয়ে খ. ক্রোধে
গ. লজ্জায় ঘ. অভিমানে
উত্তর: খ. ক্রোধে।

১৩০. মজিদের মুখে থুথু নিক্ষেপ করছিল কে?
ক. রহিমা খ. আমেনা
গ. ঢেঙা বুড়ো ঘ. জমিলা
উত্তর: ঘ. জমিলা।

১৩১. মজিদের সাম্রাজ্য পতনে কোনটি গ্রহণযোগ্য?
ক. আক্কাসের স্কুল নির্মাণের চেষ্টা খ. জমিলার থুথু নিক্ষেপ করা
গ. রহিমার প্রতিবাদ ঘ. ঢেঙা বুড়োর ক্ষোভ
উত্তর: খ. জমিলার থুথু নিক্ষেপ করা।

১৩২. ধান দিয়ে কি হইব, মানুষের জান যদি না থাকে? উক্তিটিতে মজিদের প্রতি রহিমার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
ক. ক্ষোভ খ. নিন্দা
গ. অভিমান ঘ. কটু কথা
উত্তর: ক. ক্ষোভ।

১৩৩. লালসালু উপন্যাসে মজিদের লালসার শিকার হয়েছে কে?
ক. জমিলা খ. হাসুনির মা
গ. খ্যাংটা বুড়ি ঘ. তানু বিবি
উত্তর: ক. জমিলা।

১৩৪. গারো পাহাড়ে বুট এঁকে শিকারে যান কে?
ক. মজিদ খ. জমিলা
গ. মাতব্বর রেহান আলী ঘ. সরকারি কর্মচারি
উত্তর: ঘ. সরকারি কর্মচারি।

১৩৫. তাহেরের বাবা বিচার সভায় কাঁদে কেন?
ক. অপমানিত হয়ে খ. জ্ঞানশূণ্য হয়ে
গ. শাস্তির ভয়ে ঘ. রাগে
উত্তর: ঘ. রাগে।

১৩৬. কত বছর বয়সে আমেনার বিয়ে হয়েছিলো?
ক. বারো খ. তেরো
গ. চৌদ্দ ঘ. পনেরো
উত্তর: খ. তেরো।

১৩৭. চোখাচোখি হতে সে চোখ নামায়। কে চোখ নামায়?
ক. মজিদ খ. আমেনা বিবি
গ. তাহেরের বাপ ঘ. রহিমা
উত্তর: ক. মজিদা।

১৩৮. প্রথম যৌবনে মজিদ কেমন বৌ-এর স্বপ্ন দেখত?
ক. রহিমার মতো খ. হাসুনির মায়ের মতো
গ. জমিলার মতো ঘ. আমেনার মতো
উত্তর: খ. হাসুনির মায়ের মতো।

১৩৯. ঢেঙা বুড়োর বিচারে মজিদ কোন সূরা পাঠ করেছিলেন?
ক. আল-ইমরান খ. আল-বাকারা
গ. আলা-ফাতাহ ঘ. আন-নূর
উত্তর: ঘ. আন-নূর।

১৪০. লালসালু উপন্যাসে হাসপাতাল কোথায়?
ক. মতিগঞ্জে খ. আওয়ালপুরে
গ. করিমগঞ্জে ঘ. মহব্বতনগরে
উত্তর: গ. করিমগঞ্জে।

১৪১. লালসালু উপন্যাসে মজিদকে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার কারণ কি?
ক. অর্থলোভ খ. আধিপত্য বিস্তার
গ. ধর্মকে প্রতিষ্ঠা ঘ. নিজ অস্তিত্ব রক্ষা
উত্তর: ঘ. নিজ অস্তিত্ব রক্ষা।

১৪২. কার দেহভরা ধানের গন্ধ?
ক. জমিলার খ. রহিমার
গ. আমেনা বিবির ঘ. হাসুনির মায়ের
উত্তর: খ. রহিমার।

১৪৩. লালসালু উপন্যাসের কিশোরী বধূ জমিলা মজিদের প্রতি বিদ্রোহী হয়ে ওঠার কারণ কি ছিল?
ক. মাতৃত্বের অভাব পূর্ণ না হওয়া খ. স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করা
গ. মজিদের রাজত্ব দখল করা ঘ. কৈশোরের চঞ্চলতায় ধর্ম পালনে অনীহা
উত্তর: খ. স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করা।

১৪৪. লালসালু উপন্যাসে মজিদকে সর্বপ্রথম কোথায় দেখা যায়?
ক. মোহনগঞ্জ সড়কের উপর খ. মহিনগঞ্জ সড়কের উপর
গ. মদনগঞ্জ সড়কের উপর ঘ. মতিগঞ্জ সড়কের উপর
উত্তর: ঘ. মতিগঞ্জ সড়কের উপর।

১৪৫. লালসালু উপন্যাসে রহিমা কাদের অন্য সংস্করণ?
ক. ভিতু মানুষের খ. শীর্ণ মানুষের
গ. গ্রামের লোকের ঘ. পরিশ্রমী মানুষের
উত্তর: গ. গ্রামের লোকের।

১৪৬. লালসালু উপন্যাসটির কাহিনী কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে?
ক. অকৃত্রিম সাধনা ক. ভণ্ডামি
গ. ধর্মব্যবসায় ঘ. অলৌকিক
উত্তর: গ. ধর্মব্যবসায়।

১৪৭. বন্দি পাখির মতো আছড়াতে থাকে?
ক. জমিলা খ. বলদজোড়া
গ. হাসুনির মা ঘ. তালগাছ
উত্তর: ক. জমিলা।


১৪৮. লালসালু উপন্যাসে ব্যাপারীর মক্তবে কলেমা শিখতে মজিদ কাকে আদেশ দেয়?
ক. সলেমনের বাপকে খ. আক্কাসকে
গ. তাহেরের বাপকে ঘ. দুদু মিঞাকে
উত্তর: ঘ. দুুদু মিঞাকে।

১৪৯. লালসালু উপন্যাসে বর্ণিত কোনটিকে দ্বিতীয়বার চাঁদের মতো বলা হয়েছে?
ক. নৌকা খ. কবর
গ. কাস্তে ঘ. ধান
উত্তর: কাস্তে।

১৫০. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
ক. ফেনীতে খ. নোয়াখালিতে
গ. কুমল্লায় ঘ. চট্টগ্রামে
উত্তর: নোয়াখালিতে।

১৫১. মহব্বতনগরে কাদের সংসার থেকে বিতাড়নের হিড়িক পড়েছিল?
ক. দুর্বল বৌদের খ. বাঁজা বৌদের
গ. দরিদ্র বৌদের ঘ. কুদর্শনা বৌদের
উত্তর: বাঁজা বৌদের।

১৫২. থাক, কইবার দাও। খোদাই তার শাস্তি করবে-কার উক্তি?
ক. তাহেরের খ. কাদেরের
গ. রতনের ঘ. হাসুনির
উত্তর: খ. কাদেরের।

১৫৩. আমেনা বিবির গয়ে কী রঙের চাদর ছিল?
ক. লাল খ. কমলা
গ. নীল ঘ. হলুদ
উত্তর: ঘ. হলুদ।

১৫৪. সালুকাপড়ে আবৃত মাজার থেকে মজিদের শক্তি আসার মধ্যে কি ফুটে উঠেছে?
ক. অলৌকিক শক্তি খ. আল্লাহর রহমত
গ. ধর্মব্যবসায় ঘ. খোদাভীতি
উত্তর: গ. ধর্মব্যবসায়।

১৫৬. আওয়ালপুরের পীর কোন ভাষায় বয়ান করেন?
ক. হিন্দি খ. উর্দু
গ. ফারসি ঘ. আরবি
উত্তর: খ. উর্দু।

১৫৭. লালসালু উপন্যাসের দশম মুদ্রণ প্রকাশ করে কোন প্রকাশনী?
ক. কথাবিতান প্রকাশনী খ. নওরোজ কিতাবিস্তান
গ. কমরেড পাবলিশার্স ঘ. পার্ল পাবলিশার্স
উত্তর: খ. নওরোজ কিতাবিস্তান।

১৫৮. শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ-কার চোখ?
ক. আমেনার খ. জমিলার
গ. মজিদের ঘ. খালেক ব্যাপারীর
উত্তর: খ. জমিলার।

১৫৯. কোন মাসের রাতে রহিমা ধান সিদ্ধ করছিল?
ক. পৌঁষ খ. মাঘ
গ. চৈত্র ঘ. ফাগ্লুন
উত্তর: ক. পৌঁষ।

১৬০. খেলোয়াড় চলে গেছে খেলবে কার সাথে? এখানে খেলোয়াড় বলতে বোঝানো হয়েছে?
ক. জমিলাকে খ. মজিদকে
গ. তাহের ও কাদেরের বাপকে ঘ. হাসুনির বাপকে
উত্তর: গ. তাহের ও কাদেরের বাপকে।

১৬১. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
ক. রোম খ. লন্ডন
গ. প্যারিস ঘ. চট্টগ্রাম
উত্তর: গ. প্যারিস।

১৬২. হাসুনির মায়ের কবরের আজাবের কথা ভেবে কিসের মতো কেঁপে উঠল?
ক. বাতাসের মতো খ.ঝাউগাছের মতো
গ. কলাপাতার মতো ঘ. নদীর ঢেউয়ের মতো
উত্তর: গ. কলাপাতার মতো।

১৬৩. পীর সাহেবের আগমনে মজিদের মনে ভীতি সৃষ্টির মধ্যে কোন সত্যটি প্রকাশিত হয়েছে?
ক. আধিপত্য হারানো খ. মাজারের রহস্য ফাঁদ
গ. গ্রাম ছাড়া হওয়া ঘ. বুহানি তাকত লাভ
উত্তর: ক. আধিপত্য হারানো।

১৬৪. আমেনা বিবি রোজা রেখেছিল কি বারে?
ক. শক্রবারে খ. শনিবারে
গ. রবিবারে ঘ. সোমবারে
উত্তর: শক্রবারে।

১৬৫. মুহুর্তে ধলা মিয়ার মুখ কেমন হয়ে ওঠে?
ক. বিবর্ণ খ. ফ্যাকাশে
গ. ভীত ঘ. চঞ্চল
উত্তর: খ. ফ্যাকাশে।

১৬৬. লালসালু উপন্যাসের মূল বক্তব্য হলো?
ক. ধর্মীয় গোঁড়ামির নিঃশেষ খ. নারীর অধিকার সচেতনতা
গ. গ্রামীন জীবনযাত্রা প্রবাহ ঘ. ভাগ্যন্বেষণে সফলতা
উত্তর: ক. ধর্মীয় গোঁড়ামির নিঃশেষ।

১৬৭. হইছে ইইছে, ভাগ। উক্তিটি কে, কাকে করেছে?
ক. মজিদ ধলা মিঞাকে খ. মজিদ দুদু মিঞাকে
গ. খালেক ব্যাপারী ধলা মিঞাকে ঘ. খালেক ব্যাপারী দুদু মিঞাকে
উত্তর: ঘ. খালেক ব্যাপারী দুদু মিঞাকে।

১৬৮. আমেনা বিবি মাজারে কয় পাক দিতে পেরেছিলো?
ক. দুই খ. আড়াই
গ. তিন ঘ. সাড়ে তিন
উত্তর: ঘ. সাড়ে তিন।

১৬৯. তাহের-কাদেরের বাবা কোন সময় বাড়ি থেকে চলে যায়?
ক. সকালে খ. দুপুরে
গ. বিকালে ঘ. সন্ধ্যার সময়
উত্তর: ঘ. সন্ধ্যার সময়।

১৭০. তাহের-কাদেরের ছোট ভাই-এর নাম কি?
ক. রতন খ. রহিম
গ. মানু ঘ. আক্কাস
উত্তর: ক. রতন।

১৭১. আওয়ায়পুরে আগত পীর সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান
i. অন্ধবিশ্বাস
ii.অলৌকিকতায় বিশ্বাস
iii. তীব্র বিরোধিতা

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ক. i ও ii।

১৭২. যতসব শয়তানি, বেদাতি কাজকারবার-উক্তিটিতে আওয়ালপুরে আগত পীরের প্রতি মজিদের যে মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
i. প্রতিহিংসা
ii. ক্ষোভ
iii. বিরুদ্ধ ভাব

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ. i, ii ও iii।

১৭৩. করিমগঞ্জ হাসপাতাল থেকে গ্রামে ফিরে মজিদ মিথ্যা বলেছিল যে কারণে
i. নিজের মর্যাদা রক্ষায়
ii. সান্ত্বনা প্রকাশে
iii. নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায়

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: খ. i ও iii।

১৭৪. হালিমা নিঃসন্তান বলে স্বামীকে নানা কবিরাজের কাছে যেতে অনুরোধ করে। এখানে হালিমার সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের আমেনার যে বিষয়টি মিল রয়েছে?
i. বন্ধ্যত্ব
ii. মাতৃ আকাঙ্খা
iii. মাতৃহীনতার বেদনা

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ. i, ii ও iii।

১৭৫. জমিলার হাসি মজিদের আঘাত হেনেছিল
i. মনে
ii. অস্তিত্বে
iii. সম্মানে

নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii
উত্তর: ঘ. i, ii ও iii।

লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

  • কোন সড়ক ধরে মজিদ মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করেছিল?
  • উত্তর: মতিগঞ্জের সড়ক ধরে।
  • আওয়ালপুরের পীর সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
  • উত্তর: মতলুব খাঁ।
  • তাহের-কাদেরের কনিষ্ঠ ভাইয়ের নাম কি?
  • উত্তর: রতন।
  • মহব্বতনগরে কখন নিরাক পড়েছে?
  • উত্তর: শ্রাবণের শেষাশেষি।
  • তাহেরের নৌকা ঘুরতে ঘুরতে কোথায় এসে পড়ে?
  • উত্তর: মতিগঞ্জের সড়কের পাশে।
  • তাহের ও কাদেরের বাড়ি কোথায়?
  • উত্তর: মহব্বতনগরে।
  • গ্রামের লোকেরা জমিকে কিসের মতো ভাগ করেছে?
  • উত্তর: দাবার ছকের মতো।
  • কে সাত ছেলের বাপ?
  • উত্তর: দুদু মিঞা।
  • কী দেখে হাসুনির মায়ের মনে পুলুক জাগে?
  • উত্তর: ধানখেতের তাজা রং দেখে।
  • কার কোনো অভিমান ও চপলতা নেই?
  • উত্তর: রহিমার।
  • মোদাব্বের মিঞার ছেলের নাম কি?
  • উত্তর: আক্কাস।
  • কে বজ্রাহত হওয়ার ভান করে?
  • উত্তর: মজিদ।
  • মজিদ কি দিয়ে দাঁত মেছোয়াক করে?
  • উত্তর: নিমের ডাল দিয়ে।
  • কোন দিন সকাল থেকে লোকেরা চাল-ডাল-মসলা পাঠাতে শুরু করে?
  • উত্তর: যেদিন শিরনি চড়ানো হবে বলে মজিদ ঘোষণা করে।
  • কে ক্রোধে থরথর করে কাঁপতে থাকে?
  • উত্তর: জমিলা।
  • কার পেটওয়ালা ছাগলটা ডাকতে ডাকতে হয়রান হয়?
  • উত্তর: কাদের মিঞার।
  • ঘুম ভাঙলেই কার আল্লাহ আকবর বলার অভ্যাস?
  • উত্তর: মজিদের।
  • কোন দিক থেকে ঝিরঝির শীতল হাওয়া বইতে থাকে?
  • উত্তর: দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ থেকে।

লালসালু উপন্যাসের মূলভাব

লালসালু উপন্যাসে লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ গ্রামীণ সমাজের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার এবং ধর্মকে অপব্যবহার করে গড়ে ওঠা ভণ্ডামির বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো মজিদ। মজিদ গ্রামের সাধারণ মানুষেরে ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে নিজের প্রভাব ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। মানুষের অশিক্ষা, সরলতা এবং ভয়ের সুযোগ নিয়ে সে ধর্মের নামে শোষণ ও প্রতারণা চালায়। লেখক এই ঘটনার মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, ধর্ম মানুষের কল্যাণের জন্য হলেও অসৎ ব্যক্তির হাতে তা শোষণের অস্ত্রে পরিণত হতে পারে। তাই লালসালু উপন্যাস মনে করিয়ে দেয় যে মানুষকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে যুক্তিবোধ, সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধের আলোকে ও সত্যকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে বিশ্বাস করা উচিত। এভাবেই লালসালু উপন্যাসটি ধর্মীয় ও ভণ্ডামির বিরুদ্ধে এবং মুক্তচিন্তার পক্ষে এক শক্তিশালী সাহিত্যকর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

লালসালু উপন্যাসের অনুধাবন মূলক প্রশ্নোত্তর

১. প্রশ্ন: মজিদ কেন মাজারকে কেন্দ্র করে নিজের প্রভাব বিস্তার করে?
উত্তর: নিজের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য মজিদ মাজারকে কেন্দ্র করে নিজের প্রভাব বিস্তার করে। লালসালু উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো মজিদ। মজিদ বুঝতে পারে যে গ্রামের মানুষ ধর্মবিশ্বাসী ও সহজ সরল। তাই তার ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য একটি অজানা কবরকে পীরের মাজার বলে প্রচার করে সে মানুষের মনে ভয় ও ভক্তি সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে সে সমাজে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে।

২. প্রশ্ন: ‘লালসালু’ নামকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: লালসালু হলো লালসালু উপন্যাসে মাজারের ওপর বিছিয়ে দেওয়া লাল কাপড়ের প্রতীক। এটি ধর্মীয় পবিত্রতার চেয়ে ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের বিশ্বাস নিয়ন্ত্রণের প্রতীক হিসেবে লালসালু উপন্যাসে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই ‘লালসালু’ নামটি উপন্যাসের মূল বক্তব্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

৩. প্রশ্ন: লেখক কেন মজিদ চরিত্র সৃষ্টি করেছেন?
উত্তর: মজিদ চরিত্রের মাধ্যমে লেখক সমাজে ধর্মের অপব্যবহারকারী ভণ্ড ও স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিদের প্রকৃত রূপ উন্মোচন করার চেষ্টা করেছেন। একই সঙ্গে অন্ধবিশ্বাসের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরেছেন এবং গ্রামের সকল মানুষদেরকে এই উপন্যাসের মাধ্যমে সচেতন করেছেন।

৪. প্রশ্ন: রহিমার চরিত্রের গুরুত্ব কী?
উত্তর: রহিমা ধৈর্যশীল, সহনশীল ও সংসারমুখী নারী। তিনি মজিদের সংসারকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন এবং গ্রামীণ নারীর ত্যাগ, নীরবতা ও বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন।

৫. প্রশ্ন: জামিলা চরিত্রের মাধ্যমে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: জামিলা স্বাধীনচেতা, প্রাণবন্ত ও প্রশ্ন করার সাহসী মানসিকতার প্রতীক। তাঁর চরিত্রের মাধ্যমে লেখক দেখিয়েছেন যে অন্ধ আনুগত্যের পরিবর্তে সত্যকে জানার ইচ্ছা ও আত্মমর্যাদাবোধ মানুষের মুক্তির পথ তৈরি করে।

৬. প্রশ্ন: ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল শিক্ষা কী?
উত্তর: উপন্যাসটি শিক্ষা দেয় যে ধর্মকে কখনো ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়। অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার পরিহার করে যুক্তিবোধ, শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের আলোকে জীবন পরিচালনা করাই প্রকৃত পথ।

৭. প্রশ্ন: মহব্বতনগর গ্রামের মানুষ সহজে মজিদের কথায় বিশ্বাস করেছিল কেন?
উত্তর: গ্রামের অধিকাংশ মানুষ ছিল অশিক্ষিত ও ধর্মভীরু। ধর্মীয় বিষয় সম্পর্কে তাদের যথেষ্ট জ্ঞান না থাকায় তারা মজিদের কথাকে সত্য বলে গ্রহণ করে এবং তার প্রতি অন্ধ আনুগত্য প্রকাশ করে।

৮. প্রশ্ন: মজিদের সাফল্যের মূল কারণ কী?
উত্তর: মানুষের অজ্ঞতা, কুসংস্কার, ধর্মীয় ভয় এবং মজিদের কৌশলী আচরণই তার সাফল্যের প্রধান কারণ। সে এসব দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে নিজের প্রভাব বিস্তার করে।

৯. প্রশ্ন: উপন্যাসে ধর্ম ও কুসংস্কারের সম্পর্ক কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে?
উত্তর: লেখক দেখিয়েছেন, প্রকৃত ধর্ম মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করে। কিন্তু কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস ধর্মের নামে ছড়িয়ে পড়লে তা মানুষের চিন্তাশক্তিকে দুর্বল করে এবং শোষণের সুযোগ সৃষ্টি করে।

১০. প্রশ্ন: মজিদের চরিত্রের কোন দিকটি সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয়?
উত্তর: মজিদের সবচেয়ে লক্ষণীয় দিক হলো তার ব্যক্তিস্বার্থ, আধিপত্য ও কৌশলী মনোভাব এবং মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করার প্রবণতা।

১১. প্রশ্ন: লেখক কেন গ্রামীণ সমাজকে উপন্যাসের পটভূমি হিসেবে বেছে নিয়েছেন?
উত্তর: লেখক আগেই উপলব্ধি করতে পেরেছেন যে গ্রামের মানুষ খুব সহজ সরল। তাদেরকে খুব সহজেই ঠকানো যায় ও লোভে ফেলা যায় এবং কোনো বিষয়কে অন্ধভাবেও বিশ্বাস করানো যায়। তাই গ্রামীণ সমাজে অশিক্ষা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় আবেগ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকায় ধর্মের অপব্যবহারের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে গ্রামের পটভূমি বেছে নিয়েছেন।

১২. প্রশ্ন: ‘লালসালু’ উপন্যাসে ভয়ের ভূমিকা কী?
উত্তর: ভয় লালসালু উপন্যাসে মানুষের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি প্রধান হাতিয়ার। মজিদ ধর্মীয় শাস্তির ভয় দেখিয়ে গ্রামের মানুষকে নিজের কথামতো পরিচালিত করেছিলেন নিজের স্বার্থ হাসিল করেছিলেন।

১৩. প্রশ্ন: উপন্যাসে নারী চরিত্রগুলোর গুরুত্ব কী?
উত্তর: নারী চরিত্রগুলো গ্রামীণ সমাজের বাস্তবতা, সহনশীলতা, আত্মমর্যাদা এবং পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। তাদের মাধ্যমে সমাজের পারিবারিক ও মানসিক দিক স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

১৪. প্রশ্ন: ‘লালসালু’ কেন একটি সমাজবাস্তবধর্মী উপন্যাস?
উত্তর: কারণ এতে গ্রামীণ জীবনের বাস্তব সমস্যা, ধর্মীয় ভণ্ডামি, অন্ধবিশ্বাস, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মানুষের জীবনসংগ্রাম বাস্তবতার সঙ্গে পুরাপুরি মিলে যায়।

১৫. প্রশ্ন: উপন্যাসে লেখকের মূল বার্তা কী?
উত্তর: লেখকের মূল বার্তা হলো—ধর্মকে মানবকল্যাণের জন্য ব্যবহার করতে হবে, ব্যক্তিস্বার্থে নয়। এবং গ্রামীন মানুষকে কুসংস্কারমুক্ত হয়ে শিক্ষা, যুক্তিবোধ ও মানবিক মূল্যবোধের আলোকে জীবন পরিচালনা করতে হবে।

১৬. প্রশ্ন: ‘লালসালু’ উপন্যাস আজও প্রাসঙ্গিক কেন?
উত্তর: কারণ বর্তমান সমাজেও অনেক ক্ষেত্রে ধর্মের অপব্যবহার, গুজব, অন্ধবিশ্বাস ও মানুষের সরলতার সুযোগ নেওয়ার ঘটনা প্রতিনিয়ত দেখা যায়। তাই উপন্যাসের শিক্ষা আজও সমানভাবে মূল্যবান।

লালসালু উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ লাইন

  • শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।
  • প্রকৃতির লীলা চেয়ে দেখাও একরকম এবাদত।
  • বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।

লালসালু উপন্যাসের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর


উদ্দীপক:

রানীনগর গ্রামে প্রবেশ করে রহিম নামে একজন ব্যক্তি। গ্রামে প্রবেশ করার পর রহিম গ্রামের অশিক্ষিত মানুষগুলোকে ধর্মের কথা বলে পতুয়া দেয় এবং তার স্বার্থ হাসিল করে। গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলো সত্য যাচাই না করেই তাকে অনুসরণ করে এবং তার কথা মান্য করে চলে।
ক. মজিদ যেই গ্রামটিতে প্রবেশ করেছিলো সেই গ্রামের নাম কি?

উত্তর: মহব্বতনগর।

খ. "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি"—ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি উক্তিটি দ্বারা লেখক সমাজে ধর্মের নামে ভণ্ডামি, কুসংস্কার ও গোঁড়ামির বিস্তারকে বোঝাতে চেয়েছেন। প্রকৃত ধর্ম মানুষের কল্যাণ, ন্যায়, সত্য ও মানবতার শিক্ষা দেয়। কিন্তু সমাজে এমন অনেক মানুষ রয়েছে, যারা ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে থাকে। ফলে মানুষের মধ্যে প্রকৃত ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিবর্তে অন্ধবিশ্বাস ও ভয় ছড়িয়ে পড়ে। 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি'—এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে উৎপাদনশীল কাজ বা মানবকল্যাণের চেয়ে বাহ্যিক ধর্মীয় পরিচয়ের গুরুত্ব বেশি। আর 'ধর্মের আগাছা' বলতে ধর্মের নামে ভণ্ডামি, কুসংস্কার ও অপব্যাখ্যাকে বোঝানো হয়েছে। তাই উক্তিটি সমাজের ধর্মব্যবসা ও ভণ্ড ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে একটি তীব্র প্রতিবাদ।

গ. উদ্দীপকের ব্যক্তির সঙ্গে মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের ব্যক্তি এবং লালসালু উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সুস্পষ্ট মিল রয়েছে। উভয়েই ধর্মকে মানুষের আত্মিক উন্নতির জন্য নয়, বরং ব্যক্তিগত ক্ষমতা ও স্বার্থ প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। মজিদ একটি অজানা কবরকে পীরের মাজার বলে প্রচার করে গ্রামের অশিক্ষিত, সহজ সরল মানুষের মনে ভয় ও অন্ধবিশ্বাস সৃষ্টি করে। এরপর সেই বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে সে গ্রামের ওপর নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। একইভাবে উদ্দীপকের ব্যক্তিও ধর্মের ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং নিজের সুবিধা আদায় করে। উভয় ক্ষেত্রেই মানুষের অশিক্ষা, সরলতা ও ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের চরিত্রটি মজিদের চরিত্রের প্রতিচ্ছবি।

ঘ. উদ্দীপক ও লালসালু একই সামাজিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি—বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপক এবং লালসালু একই ধরনের সামাজিক বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে। উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অশিক্ষা, কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। লালসালু উপন্যাসে মজিদ একটি পরিত্যক্ত কবরকে পীরের মাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগায়। গ্রামের মানুষ সত্য যাচাই না করে তাকে অনুসরণ করে এবং ধীরে ধীরে তার প্রভাবের অধীনে চলে যায়।

উদ্দীপকেও একই চিত্র দেখা যায়। সেখানে রহিম নামে একজন ব্যক্তি ধর্মের নামে ভয় সৃষ্টি করে মানুষের বিশ্বাসকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছে। মানুষ যুক্তি ও সত্যের পরিবর্তে অন্ধভাবে তাকে অনুসরণ করছে।

লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এই উপন্যাসের মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছেন যে ধর্ম কখনো শোষণের হাতিয়ার হতে পারে না। মানুষের অজ্ঞতা ও কুসংস্কারই ভণ্ডদের শক্তিশালী করে তোলে। তাই সমাজকে এমন শোষণ থেকে মুক্ত করতে শিক্ষা, সচেতনতা, যুক্তিবাদী চিন্তা এবং প্রকৃত ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা অপরিহার্য। এ দিক থেকে উদ্দীপক ও লালসালু একই সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন।

সম্পর্কিত আরো পোস্টের তালিকা

মতিগঞ্জের সড়কের দিকে তাকিয়ে তাহের বিস্মিত হলো কেন?

মহিগঞ্জের সড়কের উপরে একজন অপরিচিত লোককে মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়ানো দেখে তাহের বিস্মিত হলো। শ্রাবণের শেষাশেষি নিরাকের দিনে আমনের ধানখেতে মাছ ধরতে যায় তাহের ও কাদের। একসময় তাহেরের নৌকা মতিগঞ্জের সড়কটার কাছে এসে পড়ে। তখন তাহের দেখে মতিগঞ্জের সড়কের উপরেই একটি অপরিচিত লোক আকাশ পানে হাত তুলে মোনজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে। শীর্ণ মুখে ক গাছি দাদিড়, চোখ নিমীলিত। সময় বয়ে চলে কিন্তু লোকটির চেতনা নেই। নিরাক পড়া আকাশ যেন তাকে পাথরের মূর্তিতে রূপান্তরিত করেছে। লোকটির এরূপ দাঁড়িয়ে থাকার ভঙ্গিই তাহেরকে বিস্মিত করেছে।

মেয়েলোকের মনের মস্করা সহ্য করবে অতটা দুর্বল নয় সমাজ-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ

মহব্বতনগরের সমাজব্যবস্থায় মেয়েরা যে কতটা নিপীড়িত তা বোঝাতে আলোচ্য উক্তিটি করা হয়েছে। সমাজে যদি কোনো মেয়ে আত্মহত্যা করবে বলে একবার ঘোষণা করে সে মরণের ভয়ে আবার বিপরীত কথা বলতে পারে না। সমাজই তাকে আত্মহত্যার মাল-মসলা জুগিয়ে দেয়, সর্বতোমভাবে সাহায্য করে যাতে তার ইচ্ছা পূরণ হয়। এ সমাজ ফাঁকি দিয়ে তাকে আর বাঁচতে দেয় না। এ কারণেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।

খালেক ব্যাপারি আর মজিদের শক্তির মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

খালেক ব্যাপারীর শক্তি হচ্ছে তার ভূ-সম্পত্তি, আর মজিদের শক্তি হচ্ছে মাজার এবং তার কূট-কৌশল। খালেক ব্যাপারীর সঙ্গে মজিদের শক্তির পার্থক্য রয়েছে। খালেক ব্যাপারী গ্রামের মাতব্বর ও ধনী ব্যক্তি। গ্রামবাসী কূট বুদ্ধির জোরে নানাভাবেই খালেক ব্যাপারীর উপর নির্ভরশীল। অপরদিকে মজিদের শক্তি গ্রোথিত হয়েছে মানুষের মগজে, বিশ্বাসে। সে মানুষের মগজকে নিয়ন্ত্রণ করে সালু আবৃত মাজারকে অপব্যবহার করে। মানুষকে ধর্মের দোহাই দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, এ শক্তিই মজিদের শক্তি।

জমিলার মনে কেন বিদ্রোহ জাগে?

মজিদের নিষ্ঠুরতা জমিলাকে বিদ্রোহী করে তোলে। আগ্রাসী মানসিকতার চরিত্র মজিদ। জমিলার নামাজ পড়ার কড়া হুকুম জারি করে মজিদ। জমিলা নামাজ পড়েও কিন্তু ক্লান্তিতে এক সময় ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুমন্ত জমিলাকে দেখে মজিদ ভাবে যে, সে নামাজ পড়েনি। তাই কোনোকিছু জিজ্ঞেস না করেই জমিলাকে আক্রমণ করে বসে মজিদ। আর মজিদের এমন আচরণে রুষ্ট জমিলার মনেও বিদ্রোহী চেতনা জেগে ওঠে।

সে-স্বপ্নই তাকে নিয়ে এসেছে এত দূরে-ব্যাখ্যা কর।

মহব্বতনগর গ্রামে আসার কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে মজিদ প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে। মজিদ অনেকটা নাটকীয়ভাবে মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করে। গ্রামবাসীদের জানায় সে ছিল গারো পাহাড়ে। সেখানে সে সুখে-শান্তিতেই ছিল। গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গরু-ছাগল সবই ছিল। সেখানকার মানুষেরা ছিল অশিক্ষিত বর্বর। তবে তারা বর্বর হলে কি হবে, দিল তাদের সাচ্চা, খাঁটি সোনার মতো। তাদের খাতির-যত্নের মাঝে দিন সেখানেই ভালোই কাটাচ্ছিল, কিন্তু একদিন সে স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্নই তাকে নিয়ে এসেছে এত দূরে। সেই দুর্গম অঞ্চলে মজিদ যে বাড়ি তুলেছিলো তা নিমেষের মধ্যে ভেঙে ছুটে চলে এসেছে মহব্বতনগরে। গ্রামবাসীকে এভাবে বুঝায় ধর্মব্যবসায়ী মজিদ।

মজিদ আওয়ালপুরে গিয়েছিলো কেন?

আওয়ালপুরে আগত পীরের কারসাজি ধরিয়ে দিয়ে নিজের অবস্থান পাকা পোক্ত করার জন্যই মজিদ আওয়ালপুর গিয়েছিলো। মহব্বতনগরের লোকেরা মজিদকে মান্য করে। আওয়ালপুরে যখন একটি নতুন পীর আসে তখন মহব্বতনগরের মানুষ ধীরে ধীরে মজিদের কাছে যাওয়া কমিয়ে দেয়। তখন মজিদ চিন্তা করল এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে দেখা যাবে এ সময় আমার সব কারসাজি মানুষের কাছে প্রকাশ হয়ে যাবে। 
আওয়ালপুরে আগত পীরের কাছে তাদের যাতায়াত ধর্মব্যবসায়ী মজিদকে ব্যবসায়ের ধস সম্পর্কে শঙ্কিত করে তোলে। সবচেয়ে বড় কথা, একবার তার প্রতি কারও অবিশ্বাস বা সন্দেহ দেখা দিলে তা ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মজিদ তাই নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আওয়ালপুরে যায়।

PDF Download

উপসংহার

প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে লালসালু উপন্যাসের (MCQ) সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি এই লেখাগুলো পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং উপকৃত হতে পেরেছেন। এ রকম আরো তথ্যমূলক পোস্ট পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন। আমরা সবসময় পাঠকের চাহিদা অনুযায়ী পোস্ট পাবলিশ করে থাকি। এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url