রেইনকোট গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর বিস্তারিত জেনে নিন
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে রেইনকোট গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর গুলো বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আপনি যদি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে রেইনকোট গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর গুলো বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রিয় পাঠক, চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
রেইনকোট গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
১। রেইনকোট কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৯৫ সালে।
২। জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৯৭ সালে।
৩। আখতারুজ্জামান ইলয়াস কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দের ১২ ফেব্রুয়ারি।
৪। রেইনকোট গল্পের প্রেক্ষাপট কী?
উত্তর: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
৫। কার কবানিতে রেইনকোট গল্পের অধিকাংশ ঘটনা বিকৃত হয়েছে?
উত্তর: নুরুল হুদা।
৬। আখতারুজ্জামান ইলয়াস কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: গোটিয়া গ্রামে।
৭। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস মূলত কি ছিলেন?
উত্তর: কথা সাহিত্যিক।
৮। কলেজের উর্দুর প্রফেসরের নাম কি?
উত্তর: আকবর সাজিদ।
৯। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: সংস্কৃতির ভাঙা সেতু।
১০। আখতারুজ্জামান রচিত গল্পগ্রন্থের সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: ৫টি।
১১। দোজখের ওম আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: গল্পগ্রন্থ।
১২। দুধভাতে উৎপাত গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: আখতারুজ্জামান ইলয়াস।
১৩। মিন্টু মগবাজারের দুই কামরার ফ্ল্যাট থেকে চলে যায় কবে?
উত্তর: ২৩ জুন।
১৪। আখতারুজ্জামান ইলয়াস কোন পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তর: বাংলা একাডেমি।
১৫। আখতারুজ্জামান ইলয়াসের মহাকাব্যিক রচনা?
উত্তর: চিলেকোঠার সেপাই।
১৭। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কত সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তর: ১৯৮২ সালে।
১৮। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কোন তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ১৯৪৭ সালের ৪ জানুয়ারি।
১৯। পূর্বদিকের জানালা ধরে দাঁড়ালে কী চোখে পড়ে?
উত্তর: বিল আর ধানখেত।
২০। পিওন ঘরে ঢুকলে নুরুল হুদার কী করতে ইচ্ছে করে?
উত্তর: জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে।
২১। তাঁর রচিত ছোট গল্পগ্রন্থ কতটি?
উত্তর: ২৮টি।
২২। কথন থেকে বৃষ্টি হচ্ছে?
উত্তর: ভোর রাত।
২৩। রেইনকোট গল্পে কোন ঋতুর উল্লেখ আছে?
উত্তর: হেমন্ত ও বর্ষা।
২৪। বাতাস আর বৃষ্টির ঝাপটার সঙ্গে ঘরে ঢোকে কে?
উত্তর: প্রিন্সিপালের পিওন।
২৫। কারা ইলেকট্রনিক ট্রান্সফর্মার ফাটিয়ে দিয়েছে?
উত্তর: মিসক্রিয়েন্ট।
২৬। ইলেট্রনিক ট্রান্সফর্মার কোথায়?
উত্তর: কলেজের সামনের দেয়াল ঘেঁষে।
২৭। দেয়ালের পর কী?
উত্তর: বাগান ও টেনিস লন।
২৮। প্রিন্সিপালের কোয়ার্টার কোথায়?
উত্তর: মাঠ পেরিয়ে একটু বামঁদিকে।
২৯। মিলিটারির ক্যাম্প কোথায়?
উত্তর: কলেজের জিমন্যাশিয়ামে।
৩০। প্রিন্সিপালের বাড়ির গেটে বোমা মারা মানে কী?
উত্তর: মিলিটারি ক্যাম্প অ্যাটাক করা।
৩১। মিলিটারির নেতৃত্বে কে আছেন?
উত্তর: কর্নেল।
৩২। কলেজটা কাদের হাতে?
উত্তর: মিলিটারি।
৩৩। কাকে এখন মিলিটারির কর্নেল বলা চলে?
উত্তর: ইসহাককে।
৩৪। ইসহাক কবে থেকে বাংলা বলা ছেড়েছে?
উত্তর: এপ্রিলের শুরু থেকে।
৩৫। প্রিন্সিপাল কাদের থেকে শহীদ মিনার হটানোর পরামর্শ কে দিয়েছেন?
উত্তর: প্রিন্সিপাল।
৩৬। প্রিন্সিপালের পুরো নাম কী?
উত্তর: ডক্টর আফাজ আহমদ।
৩৭। রেডিও টেলিভিশনে হরদম কী বলেছে?
উত্তর: সিচুয়েশন নর্মাল।
৩৮। তার মগ বাজারে কয় কামরার ফ্ল্যাট ছিল?
উত্তর: দুই।
৩৯। মিন্টু কবে মগ বাজার থেকে বাড়ি ফিরল?
উত্তর: জুলাইয়ের পয়লা তারিখে।
৪০। মিলিটারি লাগার পর কয়বার পাল্টানো হয়েছে?
উত্তর: চারবার।
৪১। এসব হল পাকিস্তানের ইন্টার্নাল অ্যাফেয়ার উক্তিটি কার?
উত্তর: কিসিনজার সাহেবের।
৪২। কার শ্বশুর সর্দার গোছের রাজাকার?
উত্তর: ওয়েলডিং ওয়ার্কশপের মালিক।
৪৩। নুরুল হুদার মেয়ের বয়স কত?
উত্তর: আড়াই বছর।
৪৪। নুরুল হুদার ছেলের বয়স কত?
উত্তর: পাঁচ বছর।
৪৫। কলেজের উর্দুর প্রফেসার কে?
উত্তর: আকবর সাজিদ।
৪৬। কে বাচাল টাইপের?
উত্তর: দোকানদার ছেলেটা।
৪৭। একটা জিপ উড়ানোর খবর নুরুল হুদাকে দেয়?
উত্তর: দোকানদার ছেলেটা।
৪৮। প্রথমে যে দুজন বাস থেকে নামে তারা কে?
উত্তর: একটা চোর আরেকটা পকেটমার।
৪৯। কোথায় কয়েকজন মানুষ অপক্ষা করছে?
উত্তর: আসাদ গেটে বাসস্টপেজে।
আরো পড়ুন: রেইনকোট গল্পের বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর
৫০। কারা যাবতীয় গাড়ি থামাচ্ছে?
উত্তর: মিলিটারি।
৫১। নুরুল হুদা বাস থেকে কোথায় নামে?
উত্তর: নিউমার্কেট।
৫২। প্রিন্সিপালের সিংহাসন মার্কা চেয়ারে কে বসে আছে?
উত্তর: জাঁদরেল টাইপের এক মিলিটারি পান্ডা।
৫৩। মোট কতটি আলমারি কলেজে আনা হয়েছিলো?
উত্তর: দশটি।
৫৪। মিসক্রিয়েন্টরা কলেজে কী বেশে ঢুকছিলো?
উত্তর: কুলি।
৫৫। ঘুসি মারার পর নুরুল হুদাকে কী খাওয়ানো হয়?
উত্তর: পাউরুটি আর দুধ।
৫৬। নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার ছিলো?
উত্তর: কেমিস্ট্রি।
৫৭। নুরুল হুদার বেটেখোটো শরীরটাকে মিলিটারিরা কী করে?
উত্তর: ছাদে লাগানো আংটার সাথে ঝুলিয়ে দেয়।
৫৮। নুরুল হুদার পাছায় কেমন করে বাড়ি পড়ছে?
উত্তর: সপাৎ সপাৎ।
৫৯। ক্রাক-ডাউনের রাত বলতে কোন রাতকে বোঝানো হয়?
উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতকে।
৬০। প্রিনসিপালের কোয়ার্টার কোন দিকে?
উত্তর: মাঠ পেরিয়ে একটু বাঁ দিকে।
৬১। মিলিটারি কার কোয়ার্টারের সাথে থাকে?
উত্তর: প্রিন্সিপালের কোয়ার্টারের।
৬২। কলেজের জিমনেশিয়াম এখন কি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
উত্তর: মিলিটারি ক্যাম্প।
৬৩। প্রিন্সিপালের বাড়ির গেটে বোমা ফেলা অর্থ কি?
উত্তর: মিলিটারি ক্যাম্প অ্যাটাক করা।
৬৪। রেইনকোট গল্পে কলেজটা এখন কাদের দখলে আছে?
উত্তর: মিলিটারির।
৬৫। ইসহাক জিওগ্রাফির প্রফেসরের বাড়ির দিকে রওয়ানা হয় কিসে করে?
উত্তর: বেবি ট্যাক্সি।
৬৬। ইসহাক এপ্রিল মাস থেকে কোন ভাষায় কথা বলে?
উত্তর: উর্দু।
৬৭। হাঁপানির টান আছে কার?
উত্তর: নুরুল হুদার।
৬৮। প্রিন্সিপাল দিনরাত দোয়া-দুরুদ পড়ে কার জন্য?
উত্তর: পাকিস্তানের জন্য।
৬৯। প্রিন্সিপাল কবে স্কুল-কলেজ থেকে শহিদ মিনার হটানোর জন্য আবেদন জানায়?
উত্তর: এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি।
৭০। পাকিস্তানি বাহিনী গ্রামেগঞ্জে গিয়েই প্রথমে কিসের দিকে কামান তাক করেছে?
উত্তর: শহিদ মিনারের দিকে।
৭১। নুরুল হুদাকে এক্সটা তটস্থ থাকতে হয় কেন?
উত্তর: মিন্টুর জন্য।
৭২। রেইনকোট গল্পে কোন কোন ডিপার্টমেন্ট উল্লেখ আছে?
উত্তর: বোটানি, হিস্ট্রি, জিওগ্রাফি, ইংরেজী, কেমিস্ট্রি, উর্দু।
৭৩। বাস থেকে নেমে যাওয়া দুজন যাত্রীকে নুরুল হুদার কাছে কি মনে হয়?
উত্তর: ক্রিমিনাল।
৭৪। মিলিটারি আসার পর থেকে নুরুল হুদার কতবার বাড়ি বদল করতে হয়েছে?
উত্তর: চারবার।
৭৫। আমার ভাইটাকে আর ঢাকায় রাখলাম না। উক্তিটি কার?
উত্তর: নিচের তলার ভদ্রলোকের।
৭৬। মিন্টু কোথায় আছে তা জানে কে?
উত্তর: নুরুল হুদা ও তার বউ।
৭৭। টু শব্দটি না করা বাগধারাটির অর্থ কী?
উত্তর: কোনো প্রতিবাদ না করা।
৭৮। রেইনকোট গল্পে কোন কোন মাসের নাম উল্লেখ আছে?
উত্তর: এপ্রিল, জুন, জুলাই।
৭৯। রেইনকোট গল্পের পটভূমি কোন শহরের?
উত্তর: ঢাকা।
৮০। রেইনকোট গল্পে কোন ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে?
উত্তর: সাহস ও দেশপ্রেম।
৮১। রেইনকোট গল্পে আছে ঐ ঠিকানা বলে দিলে তাকে সসম্মানে ছেড়ে দেওয়া হবে। কোন ঠিকানার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: মুক্তিযোদ্ধাদের।
৮২। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: দোজখের ওম।
৮৩। রেইনকোট গল্পে অফিসের জন্য কয়টি আলমারি কেনা হয়েছিলো?
উত্তর: ৩টি।
৮৪। কার জবানিতে রেইনকোট গল্পের অধিকাংশ ঘটনা বিকৃত হয়েছে?
উত্তর: নুরুল হুদার।
৮৫। রেইনকোট গল্পে আনঅথরাইজড কন্টস্ট্রাকশন বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: শহিদ মিনার।
৮৬। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
উত্তর: মামার বাড়িতে।
৮৭। রেইনকোট গল্পে রেইনকোট বহন করছে?
উত্তর: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
৮৮। রেইনকোট গল্পে মসজিদের মাইক্রোফোন অকেজো ছিল কেন?
উত্তর: বিদ্যুৎ না থাকায়।
৮৯।রেইনকোট গল্পে গল্পকথকের স্ত্রীর নাম কি?
উত্তর: আসমা।
৯০। মিন্টু মগবাজারের দুই কামরার ফ্ল্যাট থেকে চলে যায় কবে?
উত্তর: ২৩ জুন।
৯১। পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার কোনটি?
উত্তর: বাঙালির উপর নির্যাতন।
৯২। নুরুল হুদার নিচের ফ্ল্যাটে কে থাকে?
উত্তর: ওয়েলডিং ওয়ার্কশপের মালিক।
৯৩। গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা পড়েছে কোন পোশাকে?
উত্তর: রেইনকোট।
৯৪। রেইনকোট গল্পে রেডিও টেলিভিশনে হরদম কী বলছিল?
উত্তর: ঘ. সিচুয়েশন নর্মাল।
৯৫। কোনগুলো নুরুল হুদা থেকে শতহাত দূরে থাকে?
উত্তর: সাবসার্ভিস অ্যাকটিভিটিজ।
৯৬। মিন্টু দেশের ভিতরে ফিরে এসে কি করে?
উত্তর: দমাদম মিলিটারি মারে।
৯৭। রেইনকোট গল্পে ব্যবহৃত দ্বিরুক্তি শব্দযুগল কোনটি?
উত্তর: দমাদম, টপাটপ।
৯৮। রেইনকোট গল্পে কে বলেছে এসব হলো পাকিস্তানের ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার?
উত্তর: কিসিনজার।
৯৯। ফওরন শব্দের অর্থ কি?
উত্তর: তাড়াতাড়ি।
১০০। কেন ছেলেরা কলেজে আসে না?
উত্তর: সব ক্লাস বন্ধ বলে।
১০১. মিসক্রিয়ান্টরা কলেজে কি বেশে ঢুকেছিল?
উত্তর: খ. কুলির ছদ্মবেশে।
১০২. মিসক্রিয়ান্ট কুলি গাঙের সক্রিয় সদস্য হিসেবে তারা কার নাম বলেছে?
উত্তর: খ. নুরুল হুদার নাম।
১০৩. কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে আলমারি সাজানোর সময় কোন ঋতু চলছিল?
উত্তর: খ. বর্ষা।
১০৪. বর্ষাকালই তো জুৎ-কথাটি কে বলে?
উত্তর: ক. একটি কুলি।
১০৫. বাংলার বর্ষা তো শালারা জানে না। রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুল-কথাটি কে বলেছিল?
উত্তর: খ. স্টাফরুমের কলিগ।
১০৬. মিলিটারি নুরুল হুদাকে একই প্রশ্ন করে জবাব না পেয়ে কি করে?
উত্তর: খ. তার মুখে ঘুুষি মারে।
১০৭. মিসক্রিয়ান্টদের আস্তানা জানা আছে কিনা এ প্রসঙ্গে ফের জিজ্ঞেস করলে নুরুল হুদা কি উত্তর দেয়?
উত্তর: গ. হ্যাঁ।
১০৮. সপাৎ সপাৎ চাবুকের বাড়ি নুরুল হুদার কাছে কি মনে হয়?
উত্তর: ক. যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের উপর।
১০৯. রেইকোট গল্পের প্রিন্সিপালকে কোন গালিটা দেওয়া যায়?
উত্তর: ঘ. তুই রাজাকার।
১১০. রেইনকোট গল্পে রেইনকোট কীরুপ তাৎপর্য বহন করে?
উত্তর: গ. প্রতীকি।
১১১. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত রেইনকোট গল্পটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
উত্তর: গ. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ।
১১২. রেইনকোট গল্প অনুযায়ী শনিবারে শুরু হওয়া বৃষ্টির স্থায়িত্বকাল কত?
উত্তর: ঘ. সাত দিন।
১১৩. রেইনকোট গল্পে উও আপ হি কহ সাকতা-উক্তিটি কে করেছিলো?
উত্তর: খ. ইসহাক।
১১৪. রেইনকোট গল্পে পাকিস্তানের জন্য দিনরাত কে দোয়া দরুদ পড়ে?
উত্তর: খ. প্রিন্সিপাল।
১১৫. মিসিক্রিয়ান্ট অর্থ দুস্কৃতকারী কি অর্থে?
উত্তর: ঘ. হেয় অর্থে।
১১৬. মিলিটারিরা নুরুল হুদাকে ধরে নিয়ে গিয়ে প্রথমে কি বিষয়ে প্রশ্ন করে?
উত্তর: গ. কলেজের কেনা আলমারির বিষয়ে।
১১৭. আসমার যদি এতই সাহস তো সেও ভাইয়ের সাথে কোমর বাঁধল না কেন?- এখানে কোমর বাঁধা দ্বারা কি বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: গ. যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া।
১১৮. রেইনকোট গল্পে কার ঠাট্টা ও প্রশংসা বোঝা শক্ত?
উত্তর: ক. আকবর সাজিদ।
১১৯. রেইনকোট গল্পের প্রিন্সিপালের মুখের রঙ পরিবর্তিত হয়ে উঠল কেন?
উত্তর: খ. ভয়ে।
১২০. রেইনকোট বর্তমানে বাংলাদেশের
উত্তর: গ. চেতনা।
১২১. রেইকোট গল্পটি রচিত কোন সময়ের ঘটনা নিয়ে
উত্তর: গ. মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়।
১২২. দরজা খুলতেই কে প্রবেশ করল?
উত্তর: ঘ. পিয়ন।
১২৩. রেইনকোট গল্পে পিয়নকে দেখে সবাই তটস্থ হয় কেন?
উত্তর: গ. প্রিন্সিপাল সাহেব ডেকেছেন বলে।
১২৪. রেইনকোট গল্পে গেরিলা আক্রমনে কি ধ্বংস হয়?
উত্তর: বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার।
১২৫. রেইকোট গল্পে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর কে?
উত্তর: গ. প্রেসিডেন্ট।
১২৬. রাতে দুই-চারবার গুলির আওয়াজ না শুনলে ঘুম হয় না কার?
উত্তর: গ. আসমার
আরো পড়ুন: রেইনকোট গল্পে সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর
১২৭. তুমি বরং মিন্টুর রেইনকোটটা নিয়ে যাও। কাকে উদ্দেশ্য করে আসমা উক্তিটি করে?
উত্তর: ক. নুরুল হুদাকে।
১২৮. রেইনকোট গল্পে মিন্টু কে?
উত্তর: খ. আসমার ভাই।
১২৯. রেইনকোট গল্পে উল্লেখিত বর্ষাকালেই তো জুৎ। কথাটি কি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: খ. কার্য উদ্ধারের অনুকূল পরিবেশ।
১৩০. রেইনকোট গল্পে ছোট মামা কে?
উত্তর: গ. মিন্টু।
১৩১. রেইনকোটটা খুলে ফেললেও নুরুল হুদার শরীরে রেইনকোটের কি অনুভূত হয়?
উত্তর: খ. ওম।
১৩২. রেইনকোট গল্প কোন দৃষ্টিকোণ থেকে বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ক. চরিত্রের দৃষ্টিকোণ।
১৩৩. রেইনকোট গল্পে মিলিটারি প্রাদুর্ভাবের পর থেকে কলেজের সবাই কাকে দেখে তটস্থ?
উত্তর: গ. ইসহাককে।
১৩৪. মিলিটারির ভয়ে আবিদ বাইরে বের হয় না, সারাদিন সূরা পাঠ করে- আবিদের সঙ্গে কার মিল রয়েছে?
উত্তর: খ. নুরুল হুদা।
১৩৫. ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের নতুন রুপে সে ভ্যাবাচ্যাকা খায়। উক্তিটি কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
উত্তর: গ. নুরুল হুদা।
১৩৬. রেইনকোট গল্পে নুরুল হুদা কোন কলেজের প্রভাষক?
উত্তর: খ. ঢাকা কলেজ।
১৩৭. বাস থামার সঙ্গে সঙ্গে তিনটি ক্রিমিনাল নেমে পড়ে কেন?
উত্তর: ক. ভয়ে।
১৩৮. মুক্তিযুদ্ধে মিলিটারিদের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: গ. পৈশাচিক আচরণ।
১৩৯. রেইনকোট গল্পে রেইনকোটটির প্রকৃত মালিকের নাম কি?
উত্তর: খ. মিন্টু।
১৪০. ইসহাক মিয়া নাশতার আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দেন কেন?
উত্তর: ক. তাড়া আছে বলে।
১৪১. সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিজ বলতে কি বোঝায়?
উত্তর: খ. রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম।
১৪২. রেইনকোট গল্পে নুরুল হুদা কুলিদের কাছাকাছি গিয়েছিল কেন?
উত্তর: ক. অধ্যক্ষ কর্তৃক তার উপর দায়িত্ব পড়েছিলো বলে।
১৪৩. কুলিরা ছিল ছদ্মবেশি মিসক্রিয়েন্ট-কে বলেছিলো?
উত্তর: ক. উৎসাহিত মিলিটারি।
১৪৪. রেইনকোট গল্পের প্রিন্সিপালের ক্ষেত্রে নিচের কোন শব্দটি প্রযোজ্য?
উত্তর: ঘ. সুবিধাবাদী।
১৪৫. রেইনকোট গল্পের মূল বিষয়বস্তু কি?
উত্তর: খ. মুক্তিযোদ্ধাদের অদম্য শক্তি সাহস।
১৪৬. রেইনকোট গল্পে কোন শব্দের বহুল ব্যবহার লক্ষণীয়?
উত্তর: গ. উর্দু।
১৪৭. রেইনকোট গল্পে মিলিটারিদের শহিদ মিনার হটানোর পরামর্শের মধ্য দিয়ে প্রিন্সিপালের কোন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?
উত্তর: গ. তোষামোদী।
১৪৮. রেইনকোট গল্পে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা বলা হয়েছে কাকে?
উত্তর: গ. শহিদ মিনারকে।
১৪৯. পিয়নকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করছে। রেইনকোট গল্পে নুরুল হুদার এই উক্তিতে কি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: গ. সংশয় কেটে যাওয়ার আনন্দ।
১৫০. ইলেকট্রিক ট্রান্সফর্মারটি কিসের দেওয়াল ঘেঁষে ছিল?
উত্তর: ক. কলেজের সামনের।
১৫১. রেইনকোট গল্পে সেনাবাহিনীর তৎপরতা নিয়ে ঠাট্টামশকরা করে কে?
উত্তর: খ. প্রিন্সিপাল।
১৫২. রেইনকোট গল্পে টুপিতে কোন তেজ আছে বলে ইঙ্গিত রয়েছে?
উত্তর: ক. মুক্তিযোদ্ধার তেজ।
রেইনকোট গল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
রেইনকোট গল্পের উৎস: রেইনকোট গল্পটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। পরে এটি লেখকের সর্বশেষ গল্পগ্রন্থ জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল (১৯৯৭) গ্রন্থে সংকলিত হয়। এ গল্পের পাঠ গ্রহণ করা হয়েছে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ১ থেকে।
রেইনকোট গল্পের প্রথম লাইন: ভোররাত থেকে বৃষ্টি।
শেষ লাইন: তাদের সঙ্গে তার আঁতাতের অভিযোগ ও তাদের সঙ্গে তার আঁতাত রাখার উত্তেজনায় নুরুল হুদার ঝুলন্ত শরীর এতটাই কাঁপে যে চাবুকের বাড়ির দিকে তার আর মনোযোগ দেওয়া হয়ে ওঠে না।
রেইনকোট গল্পের ভাষারীতি: চলিতরীতি।
রেইনকোট গল্পের গুরুত্বপূর্ণ লাইন
ভোররাত থেকে বৃষ্টি। আহা! বৃষ্টির ঝমঝম বোল। এই বৃষ্টির মেয়াদ আল্লা দিলে পুরো তিন দিন। কারণ শনিতে সাত মঙ্গলে তিন, আর সব দিন দিন। এটা জেনারেল স্টেটমেন্ট। স্পেসিফিক ক্ল্যাসিফিকেশনও আছে।
আল্লাহুম্মা আন্তা সুবহানকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জোয়ালেমিন।
ইলেকট্রনিক ট্রান্সফর্মার তো কলেজের সামনের দেওয়াল ঘেঁষে। দেওয়ালের পর বাগান, টেনিস লন। তারপর কলেজ দালান।
রাস্তায় ঘড়ঘড় করতে থাকা বেবি ট্যাকসির গর্জন তুলে সে রওয়ানা হলো জিওগ্রাফির প্রফেসরের বাড়ির দিকে।
এপ্রিলের শুরু থেকে সে বাংলা বলা ছেড়েছে। কোনকালে দাদা না পরদাদা ভায়রার মামু না কে যেন দিল্লিওয়ালা কোন সাহেবের খাস খানসামা ছিল, সেই সুবাদে দিনরাত এখন উর্দু বলে।
পাকিস্তানের জন্য প্রিন্সিপাল দিনরাত দোয়া-দরুদ পড়ছে।
এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি প্রিন্সিপাল মিলিটারির বড়ো কর্তাদের কাছে সবিনয়ে নিবেদন করেছিলো, পাকিস্তান যদি বাঁচাতে হয়-তো সব স্কুল-কলেজ থেকে শহিদ মিনার হটাও।
তা মিলিটারি ডক্টর আফাজ আহমদের পরামর্শ শুনেছে, গ্রাম-গঞ্জে যেখানেই গেছে প্রথমেই কামান তাক করছে শহিদ মিনারের দিকে।
তাড়াতাড়ি চলে এসো। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে মিরপুর ব্রিজের দিক থেকে গুলির আওয়াজ আসছিল। কখন কি হয়।
বাড়ি থেকে, হ্যাঁ, হ্যাঁ, তার মগবাজারের দুই কামরার ফ্ল্যাট থেকেই তো মিন্টু চলে গেল জুন মাসে, জুনের ২৩ তারিখে। জুলাইয়ের পয়লা তারিখে সে বাড়ি শিফট করল।
মিলিটারি লাগার পর থেকে এই নিয়ে চারবার বাড়ি পালটানো হলো।
কিসিনজার সাহেব বলেছে, এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।
সপ্তাহে দুইদিন-তিনদিন মেয়ের বাড়িতে রেফ্রিজারেটর, টেপ রেকর্ডার, দামি দামি সোফাসেট, ফ্যান, খাট-পালং সব চালান পাঠায়।
আড়াই বছরের মেয়ের সদ্য-ঘুম ভাঙা গলায় ভাঙা ভাঙা বুলি শুনে সে চমকে ওঠে.
আব্বুকে ছোট মামার মতো দেখাচ্ছে। আব্বু তা হলে মুক্তিবাহিনী। তাই না?
স্টাফ রুমে কলিগরা ফিসফিস করে, কোথায় কোন ব্রিজ উড়ে গেল, কোথায় সাত মিলিটারির লাশ পড়েছে ছেলেদের গুলিতে, এই কলেজের কোন কোন ছেলে ফ্রন্টে গেছে,
একটা জিপ উড়াইয়া দিছে, কমপেক্ষে পাঁচটা খানসেনা খতম। বিবিসি কইছে, রংপুর-দিনাজপুরের হাফের বেশি জায়গা স্বাধীন।
নামবার মুহুর্তে দুটোর মধ্যে সর্দার টাইপেরটা তার দিকে পেছন ফিরে তাকাল।
আসাদ গেট বাসস্টপেজে ঝিরঝির বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল বেশকয়েকজন মানুষ।
ছাতা হাতে কেউ কেউ নিজ-নিজ ছাতার নিচে এবং ছাতা ছাড়া অনেকেই অন্যের ছাতার নিচে মাথার অন্তত খানিকটা পেতে দিয়ে বৃষ্টির ছাঁট থেকে আত্মরক্ষা করতে শরীরগুলোকে আঁকাবাঁকা করছিল।
আর প্রথম তিনটে কোথাও সুন্দরী মেয়ে মানুষ দেখলে মিলিটারিকে খবর দেয় কিংবা মিলিটারির কাছ থেকে বন্দুক নিয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়ে মহল্লায়-মহল্লায় ঘোরে আর সুন্দরী মেয়েদের ধরে এনে পৌঁছে দেয় মিলিটারি ক্যাম্পে। এগুলো হলো রাজাকার।
ক্রাকডাউনের রাত কেটে ভোর হলে মিলিটারির গুলিতে এই মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিলো মুয়াজ্জিন সাহেব।
ঠাণ্ডা হাওয়ার ধাক্কা রেইনকোটের তাপে এতটাই গরম হয়ে ওঠে যে, মনে হয় ভিতরে বুঝি আগুন ধরে গেল।
মসজিদের উল্টোদিকের বাড়িতে তিনতলায় থাকত তখন তারা।
প্রিন্সিপালের কামরায় প্রিন্সিপালের সিংহাসন মার্কা চেয়ারে বসে রয়েছে জাঁদরেল টাইপের এক মিলিটারি পান্ডা।
উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদের দোহাই পেড়ে প্রিন্সিপালের সুবিধা হয় না।
কিছুদিন আগে তাদের কলেজে কয়েকটা লোহার আলমারি কেনা হয়েছে। এগুলো বয়ে নিয়ে এসেছিল কারা?
অফিসের জন্য তিনটে, বোটানি হিস্ট্রি জিওগ্রাফি ডিপার্টমেন্টের জন্যে দুটো করে এবং ইংরেজীর জন্য একটা, সর্বমোট দশটি আলমারি কলেজে নিয়ে আসা হয়েছে।
মিলিটারি শান্ত গলায় তথ্য সরবরাহ করার ভঙ্গিতে বলে, মিসক্রিয়েন্টরা কলেজে ঢুকেছিল কুলির বেশে। এটা তার চেয়ে আর ভালো জানে কে? তারা আজ ধরা পড়ে নুরুল হুদার নাম বলেছে।
কুলিরা ছিল ছদ্মবেশি মিসক্রিয়েন্ট। তারা কলেজের টিচারদের মধ্যে নুরুল হুদার নামই বলেছে।
তাকে পাউরুটি ও দুধ খাওয়ানো হয়।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে রেইনকোট গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং উপকৃত হতে পেরেছেন। প্রিয় পাঠক, এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url