লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর বিস্তারিত জেনে নিন

প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আপনি যদি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর গুলো বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রিয় পাঠক, চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর বিস্তারিত জেনে নিন
লালসালু উপন্যাসটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যকর্ম, যেখানে গ্রামীণ সমাজে ধর্মান্ধতা, ভণ্ডামি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরা হয়েছে। কাহিনির কেন্দ্রে আছে মজিদ নামের এক চতুর ব্যক্তি, যে একটি অজানা কবরকে “পীরের মাজার” বলে প্রচার করে গ্রামের মানুষের বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজের প্রভাব বিস্তার করে। ধীরে ধীরে সে গ্রামের ধর্মীয় নেতা হয়ে ওঠে এবং মানুষকে ভয় ও কুসংস্কারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। উপন্যাসটি মানুষের অন্ধ বিশ্বাস, ধর্মের অপব্যাখ্যা এবং সামাজিক বাস্তবতার গভীর সমালোচনা করে, যা শেষ পর্যন্ত মজিদের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: চট্টগ্রাম।

২। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর কোন উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনূদিত হয়?
উত্তর: লালসালু।

৩। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন?
উত্তর: সাংবাদিক।

৪। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে।

৫। বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ কে?
উত্তর: সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।

৬। কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৬৮ সালে।

৭। নয়নচারা গ্রল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৪৬ সালে।

৮। লালসালু উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না?
উত্তর: বদনা।

৯। নোয়খালি অঞ্চলে শষ্যের চেয়ে কী বেশি?
উত্তর: টুপি।

১০। কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ কেন?
উত্তর: শস্যহীন বলে।

১১। মজিদের শারীরিক গড়ন কেমন?
উত্তর: শীর্ণকায়।

১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ চরিত্রের কোন দিকটি উম্মোচিত হয়েছে?
উত্তর: মিথ্যাচার।

১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানুষ আসতে লাগে কেন?
উত্তর: মাজারে মানত করতে।

১৪। মজিদ কার চোখে ভয় দেখছে?
উত্তর: রহিমার।

১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে কেন?
উত্তর: কলমা জানে না তাই।

১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস কী?
উত্তর: মাজার।

১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে নিচের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
উত্তর: রহিমার।

১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা কার বাড়িতে গিয়েছিলো?
উত্তর: মজিদের।

১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের কী করার অভ্যাস?
উত্তর: হৈ চৈ করা।

২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে কি চেয়েছিলো?
উত্তর: তামাক।

২১। মজিদ হাসুনির মাকে কি রঙের শাড়ি কিনে দিয়েছিলো?
উত্তর: বেগুনি।

২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায় কেন?
উত্তর: অন্য পিরদের আধিপত্য।

২৩। পাথর এবার হঠাৎ নড়ে। এখানে পাথর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মজিদ।

২৪। আমেনি বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিলো কেন?
উত্তর: মা হওয়ার আশায়।

২৫। মজিদের মহব্বতনগরে প্রবেশটা কেমন ছিল?
উত্তর: নাটকীয়।

২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার কোন অংগতির শিকার?
উত্তর: বাল্যবিবাহ।

২৭। লালসালু উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
উত্তর: ধলা মিয়া।

২৮। রহিমা জমিলাকে কী বলে সম্বোধন করে?
উত্তর: বোন।

২৯। জামিলা পাটি বুনতে বুনতে কেঁদে উঠেছিলো কেন?
উত্তর: রহিমার গম্ভীর স্বর শুনে।

৩০। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিলো কেন?
উত্তর: ছেলের মৃত্যুতে।

৩১। লালসালু উপন্যাসে কোন পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে?
উত্তর: ডোমপাড়া।

৩২। কার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিলো?
উত্তর: খ্যাংটা বুড়ির।

৩৩। লালসালু উপন্যাসে জমিলার কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
উত্তর: স্বাধীনচেতা।

৩৪। মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিলো তার তদারকির দায়িত্ব ছিল কার?
উত্তর: রহিমা ও জমিলার।

৩৫। জিকির করতে করতে কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলো?
উত্তর: মজিদ।

৩৬। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিলো বলে প্রকাশ করে?
উত্তর: সিংহের।

৩৭। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিলো কে?
উত্তর: জমিলা।

৩৮। লালসালু উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: বালা।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url