লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর বিস্তারিত জেনে নিন
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আপনি যদি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর গুলো বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রিয় পাঠক, চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
লালসালু উপন্যাসটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যকর্ম, যেখানে গ্রামীণ সমাজে ধর্মান্ধতা, ভণ্ডামি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরা হয়েছে। কাহিনির কেন্দ্রে আছে মজিদ নামের এক চতুর ব্যক্তি, যে একটি অজানা কবরকে “পীরের মাজার” বলে প্রচার করে গ্রামের মানুষের বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে নিজের প্রভাব বিস্তার করে। ধীরে ধীরে সে গ্রামের ধর্মীয় নেতা হয়ে ওঠে এবং মানুষকে ভয় ও কুসংস্কারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। উপন্যাসটি মানুষের অন্ধ বিশ্বাস, ধর্মের অপব্যাখ্যা এবং সামাজিক বাস্তবতার গভীর সমালোচনা করে, যা শেষ পর্যন্ত মজিদের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।
লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর
১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: চট্টগ্রাম।
২। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর কোন উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনূদিত হয়?
উত্তর: লালসালু।
৩। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন?
উত্তর: সাংবাদিক।
৪। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে।
৫। বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ কে?
উত্তর: সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।
৬। কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৬৮ সালে।
৭। নয়নচারা গ্রল্পগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৪৬ সালে।
৮। লালসালু উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না?
উত্তর: বদনা।
৯। নোয়খালি অঞ্চলে শষ্যের চেয়ে কী বেশি?
উত্তর: টুপি।
১০। কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ কেন?
উত্তর: শস্যহীন বলে।
১১। মজিদের শারীরিক গড়ন কেমন?
উত্তর: শীর্ণকায়।
১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ চরিত্রের কোন দিকটি উম্মোচিত হয়েছে?
উত্তর: মিথ্যাচার।
১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানুষ আসতে লাগে কেন?
উত্তর: মাজারে মানত করতে।
১৪। মজিদ কার চোখে ভয় দেখছে?
উত্তর: রহিমার।
১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে কেন?
উত্তর: কলমা জানে না তাই।
১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস কী?
উত্তর: মাজার।
১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে নিচের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
উত্তর: রহিমার।
১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা কার বাড়িতে গিয়েছিলো?
উত্তর: মজিদের।
১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের কী করার অভ্যাস?
উত্তর: হৈ চৈ করা।
২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে কি চেয়েছিলো?
উত্তর: তামাক।
২১। মজিদ হাসুনির মাকে কি রঙের শাড়ি কিনে দিয়েছিলো?
উত্তর: বেগুনি।
২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায় কেন?
উত্তর: অন্য পিরদের আধিপত্য।
২৩। পাথর এবার হঠাৎ নড়ে। এখানে পাথর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মজিদ।
২৪। আমেনি বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিলো কেন?
উত্তর: মা হওয়ার আশায়।
২৫। মজিদের মহব্বতনগরে প্রবেশটা কেমন ছিল?
উত্তর: নাটকীয়।
২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার কোন অংগতির শিকার?
উত্তর: বাল্যবিবাহ।
২৭। লালসালু উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
উত্তর: ধলা মিয়া।
২৮। রহিমা জমিলাকে কী বলে সম্বোধন করে?
উত্তর: বোন।
২৯। জামিলা পাটি বুনতে বুনতে কেঁদে উঠেছিলো কেন?
উত্তর: রহিমার গম্ভীর স্বর শুনে।
৩০। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিলো কেন?
উত্তর: ছেলের মৃত্যুতে।
৩১। লালসালু উপন্যাসে কোন পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে?
উত্তর: ডোমপাড়া।
৩২। কার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিলো?
উত্তর: খ্যাংটা বুড়ির।
৩৩। লালসালু উপন্যাসে জমিলার কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
উত্তর: স্বাধীনচেতা।
৩৪। মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিলো তার তদারকির দায়িত্ব ছিল কার?
উত্তর: রহিমা ও জমিলার।
৩৫। জিকির করতে করতে কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলো?
উত্তর: মজিদ।
৩৬। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিলো বলে প্রকাশ করে?
উত্তর: সিংহের।
৩৭। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিলো কে?
উত্তর: জমিলা।
৩৮। লালসালু উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: বালা।
৩৯। তরঙ্গ ভঙ্গ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর: প্রহসন।
৪০। চলিত রীতিতে লেখা রচনা
উত্তর: একটি তুলসী গাছের কাহিনী।
৪১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ বিরচিত সুড়ঙ্গ একটি
উত্তর: নাটক।
৪২। কোনটি সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ রচিত উপন্যাস
উত্তর: কাঁদো নদী কাঁদো।
৪৩। একটি তুলসী গাছের কাহিনী গল্পটি
উত্তর: দেশভাগ পরবর্তী মানবিক বিপর্যয় বিষয়ক।
৪৪। একটি তুলসী গাছের কাহিনীর মূল বিষয়বস্তু
উত্তর: সংখ্যালঘু সমস্যা।
৪৫. মাঠে গিয়ে মানুষ মেঠো হয়ে ওঠে কেন?
উত্তর: ফসল ফলানোর জন্য।
৪৬. মজিদ কার চোখে ভয় দেখেছে?
উত্তর: রহিমার।
৪৭. মজিদ চরিত্রের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: ধর্মব্যবসায়ী।
৪৮. দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে কেন?
উত্তর: কলমা জানে না বলে।
৪৯. মজিদের শক্তির মূল উৎস কি?
উত্তর: মাজার।
৫০. মহব্বতনগরবাসীর কাছে রহস্যময় কে?
উত্তর: মজিদ।
আরো পড়ুন: লালসালু উপন্যাসের সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর
৫১. মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী কে?
উত্তর: রহিমা বিবি।
৫২. হাবীবা প্রায়ই মানবকল্যাণে মাজারে গিয়ে প্রার্থনা করে। এখানে হাবীবার সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের রহিমার কোন বিষয়টি মিল রয়েছে?
উত্তর: ধর্মভীরুতা।
৫৩. রহিমা অতি সংগোপনে মাজারে গিয়ে কি আর্জি জানায়?
উত্তর: সন্তানের।
৫৪. মাজারে গিয়ে সন্তান কামনার বিষয়টিতে রহিমা চরিত্রের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?
উত্তর: মাতৃ আকাঙ্খা।
৫৫. হাসুনির মায়ের ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: বিধবা।
৫৬. বাবা-মায়ের ঝগড়ার সময় তাহের-কাদের চুপ থাকে কেন?
উত্তর: স্বার্থের মোহে।
৫৭. হাসুনির মায়ের কথা শুনে রহিমার চোখ ছলছল করছিল কেন?
উত্তর: সমবেদনা প্রকাশে।
৫৮. তা হুজুর, ঘরের কথা আপনারে ক্যামনে কই?-উক্তিটি কার?
উত্তর: তাহেরের বাবার।
৫৯. ঢেঙা-বুড়ো ঘরের কথা মজিদকে বলতে না চাওয়ায় তার চরিত্রের কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?
উত্তর: আত্মসম্মানবোধ।
৬০. ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা কার বাড়িতে গিয়েছিলো?
উত্তর: মজিদের।
৬১. ঢেঙা বুড়োকে কি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়?
উত্তর: বদমেজাজি।
৬২. হাসুনির মা বাড়িতে যেতে চায় না কেন?
উত্তর: বাবার ভয়ে।
৬৩. ঢেঙা বুড়োর অন্তরে কি বিদ্যমান?
উত্তর: অবিশ্বাস।
৬৪. মহব্বতনগর গ্রামের মাতবর কে?
উত্তর: খালেক ব্যাপারি।
৬৫. ঢেঙা বুড়োর বিচারে মানুষকে ধর্মের বাণী শোনানোয় মজিদের মধ্যে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
উত্তর: ধর্মের বাণী দিয়ে মানুষকে দুর্বল করার চেষ্টা।
৬৬. মজিদের কণ্ঠে কোন বিষয়টি বিদ্যমান?
উত্তর: মধু।
৬৭. ঝড় এলে হাসুনির মায়ের কি করার অভ্যাস?
উত্তর: হই হই করা।
৬৮. মজিদের শিক্ষায় গ্রামবাসী ভালোভাবে কি বুঝেছে?
উত্তর: আল্লাহতে বিশ্বাস।
৬৯. দুর্লঙ্ঘনীয় রহস্যে আবৃত কি?
উত্তর: মাজার।
৭০. বাবা নিখোঁজ হওয়ার পর হাসুনির মা মজিদের বাড়িতে আসত না কেন?
উত্তর: লজ্জায়।
৭১. মজিদ হাসুনির মায়ের কাছ থেকে কি চেয়েছিলো?
উত্তর: তামাক।
৭২. মজিদ হাসুনির মাকে কি রঙের শাড়ি কিনে দিয়েছিলো?
উত্তর: বেগুনি।
৭৩. আমীর আলি প্রায়ই বাড়ির কাজের মেয়ের প্রতি কুনজর দেয়। এখানে আমীর আলি লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
উত্তর: মজিদ।
৭৪. মজিদের ডাকের স্বরে সর্বদা কোন বিষয়টি বিদ্যমান?
উত্তর: প্রভুত্ব।
৭৫. রহিমার শরীর ভরা কিসের গন্ধ ছিল?
উত্তর: ধানের।
৭৬. সবাইকে কি বলে সম্বোধন করা মজিদের অভ্যাস?
উত্তর: মিঞা।
৭৭. একসময় বাংলার ঘরে ঘরে ধান উঠত তখন গ্রামে গ্রামে পীরদের আগমন ঘটত। উদ্দীপকটি লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উত্তর: আওয়ালপুরে আগত পীর।
৭৮. আওয়ালপুরে আগত পীরের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: মৌসুমি পীর।
৭৯. আমাগো যদি পোলাপাইন থাকত-উক্তিটি কার?
উত্তর: মজিদের।
৮০. আওলাঘরের চালের উপর রহিমা কি শুকাতে দিয়েছিলো?
উত্তর: কদুর বিচি।
৮১. মজিদের নেশার প্রয়োজন বলেতে কি বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: নতুন স্ত্রী।
৮২. মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে-এখানে অন্য কথা বলতে কি বোঝেনো হয়েছে?
উত্তর: দ্বিতীয় বিয়ে।
৮৩. তোমার একটা সাথি আনুম? এখানে সাথি বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: সতিন।
৮৪. জগদীশ মালো বংশ রক্ষার জন্য দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়। এখানে জগদীশ মালো লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
উত্তর: মজিদ।
৮৫. মজিদের দ্বিতীয় বিয়েতে নীরব থাকার রহিমা চরিত্রের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: দুর্বলতা।
৮৬. মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছিলো কোন মাসে?
উত্তর: জ্যৈষ্ঠ।
৮৭. মজিদের দ্বিতীয় বিয়ের উদ্দেশ্য কি ছিল?
উত্তর: জৈবিক চাহিদা।
৮৮. একদিন বাইরের ঘর থেকে মজিদ সোনালি মিহির সুন্দর কিসের ঝংকার শুনতে পায়?
উত্তর: হাসির।
৮৯. মুসলমানের মাইয়ার হাসি কেউ কখনো হুনে না-উক্তিটিতে মজিদের কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: ধর্মান্ধতা।
৯০. রহিমা জমিলাকে হাসি থামাতে বলে কেন?
উত্তর: লোকলজ্জার ভয়ে।
৯১. আমি ভাবলাম, তানি বুঝি দুলার বাপ-এখানে তানি কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: মজিদকে।
৯২. জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার কোন অসংগতির শিকার?
উত্তর: বাল্যবিবাহ।
৯৩. রহিমা জমিলাকে কি বলে সম্বোধন করে?
উত্তর: বোন।
৯৪. জলিলা পাটি বুনতে বুনতে কেঁদে উঠেছিল কেন?
উত্তর: রহিমার গম্ভীর স্বর শুনে।
৯৫. সালমা-সন্ধ্যা দুজন সতিন হলেও বেশ মিলেমিশে বাস করে । উদ্দীপকটি লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উত্তর: রহিমা-জমিলা।
৯৬. একদিন মাজারে এসে তীক্ষ্ণ আর্তনাদ শুরু করেছিলো কে?
উত্তর: খ্যাংটা বুড়ি।
৯৭. খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল কেন?
উত্তর: ছেলের মৃত্যেুতে।
৯৮. লালসালু উপন্যাসে কোন পাড়ায় উৎসবের কথা বর্ণিত আছে?
উত্তর: ডোমপাড়া।
৯৯. কার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল?
উত্তর: খ্যাংটা বুড়ির।
১০০. লালসালু উপন্যাসে জমিলার কোন পরিচয় পাওয়া যায়?
উত্তর: স্বাধীনচেতনার।
১০১. সাবিলা প্রায়ই এশার নামাজ না পড়ে সন্ধ্যা বেলায়ই ঘুমিয়ে পড়ে। এখানে সাবিলার সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের কার সাদৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: জমিলার।
১০২. মজিদের প্রতি জমিলার কোন পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: বিরুদ্ধ।
১০৩. মজিদের মতে খোদার ভয় নেই কার?
উত্তর: জমিলার।
১০৪. শিরনি রান্নার তদারকি করছিল কে?
উত্তর: রহিমা ও জমিলা।
১০৫. জিকির করতে করতে কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল?
উত্তর: মজিদ।
১০৬. এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে?
উত্তর: সিংহের।
১০৭. নামাজের সময় সেজদায় গিয়ে জমিলা আর ওঠেনি কেন?
উত্তর: ঘুমিয়ে পড়ায়।
১০৮. জমিলা থরথর করে কাঁপতে থাকে কেন?
উত্তর: ক্রোধে।
১০৯. মজিদের মুখে থুথু নিক্ষেপ করছিল কে?
উত্তর: জমিলা।
১১০. মজিদের সাম্রাজ্য পতনে কোনটি গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: জমিলার থুথু নিক্ষেপ করা।
১১১. ধান দিয়ে কি হইব, মানুষের জান যদি না থাকে? উক্তিটিতে মজিদের প্রতি রহিমার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: ক্ষোভ।
১১২. লালসালু উপন্যাসে মজিদের লালসার শিকার হয়েছে কে?
উত্তর: জমিলা।
১১৩. গারো পাহাড়ে বুট এঁকে শিকারে যান কে?
উত্তর: সরকারি কর্মচারি।
১১৪. তাহেরের বাবা বিচার সভায় কাঁদে কেন?
উত্তর: রাগে।
১১৫. কত বছর বয়সে আমেনার বিয়ে হয়েছিলো?
উত্তর: তেরো।
১১৬. চোখাচোখি হতে সে চোখ নামায়। কে চোখ নামায়?
উত্তর: মজিদা।
১১৭. প্রথম যৌবনে মজিদ কেমন বৌ-এর স্বপ্ন দেখত?
উত্তর: হাসুনির মায়ের মতো।
১১৮. ঢেঙা বুড়োর বিচারে মজিদ কোন সূরা পাঠ করেছিলেন?
উত্তর: আন-নূর।
১১৯ লালসালু উপন্যাসে হাসপাতাল কোথায়?
উত্তর: করিমগঞ্জে।
১২০. লালসালু উপন্যাসে মজিদকে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার কারণ কি?
উত্তর: নিজ অস্তিত্ব রক্ষা।
১২১. কার দেহভরা ধানের গন্ধ?
উত্তর: রহিমার।
১২২. লালসালু উপন্যাসের কিশোরী বধূ জমিলা মজিদের প্রতি বিদ্রোহী হয়ে ওঠার কারণ কি ছিল?
উত্তর: স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করা।
১২৩. লালসালু উপন্যাসে মজিদকে সর্বপ্রথম কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: মতিগঞ্জ সড়কের উপর।
১২৪. লালসালু উপন্যাসে রহিমা কাদের অন্য সংস্করণ?
উত্তর: গ্রামের লোকের।
১২৫. লালসালু উপন্যাসটির কাহিনী কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে?
উত্তর: ধর্মব্যবসায়।
১২৬. বন্দি পাখির মতো আছড়াতে থাকে?
উত্তর: জমিলা।
১২৭. পাথর এবার হঠাৎ নড়ে। এখানে পাথর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মজিদ।
১২৮. রাত যত গভীর হয় তত আগুন হয়ে ওঠে মাথা-কথাটিতে মজিদ চরিত্রের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
উত্তর: প্রতিহিংসা।
১২৯. কার বাড়ির সামনের মাঠে লোকে লোকারণ্য হয়েছিলো?
উত্তর: মতলুব খাঁর।
১৩০. পীর আবিদুল রহমান আরবি ভাষায় বয়ান দিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। এখানে পীর আবিদুর রহমানের সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: আওয়ালপুরে আগত পীর।
১৩১. আওয়ালপুরে আগত পীরের মধ্যে কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: ধর্মব্যবসায়।
১৩২. আওয়ালপুরে আগত পীর আছরের সময় কোন নামাজ পড়েছিল?
উত্তর: জোহর।
১৩৩. লালসালু উপন্যাসে কার চোখে বেদনার পানি ছিল?
উত্তর: কালু মিয়ার।
১৩৪. মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিলো কেন?
উত্তর: সমবেদনা প্রকাশ করতে।
১৩৫. ভাবতে ভাবতে ধলা মিয়া কি বনে যায়?
উত্তর: কালা মিয়া।
১৩৬. আওয়ালপুরে আগত পীরের প্রতি আমেনা বিবির কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: অন্ধবিশ্বাস।
১৩৭. ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলেছিল কেন?
উত্তর: পানিপড়া আনতে।
১৩৮. ধলা মিয়া আওয়ালপুরে যেতে চায় না কেন?
উত্তর: ভয়ে।
১৩৯. ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুল গাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: কুসংস্কারে বিশ্বাস।
১৪০. কোন ইঙ্গিতটা স্পষ্ট ও লোভনীয়?
উত্তর: টাকার।
১৪১. আওয়ালপুরে আগত পীরকে মজিদ কি হিসেবে আখ্যায়িত করছে?
উত্তর: ইবলিশ।
১৪২. খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভয় পায় কেন?
উত্তর: দর্মভীতির কারণে।
১৪৩. আমেনা বিবির ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য?
উত্তর: নিঃসন্তান।
১৪৪. কে কেরায়া নায়ের মাঝি হতে চেয়েছিলো?
উত্তর: রতন।
১৪৫. ঢেঙা বুড়োর স্ত্রী জানাজা পড়ানোর কথা ছিল কার?
উত্তর: মোল্লা শেখের।
১৪৬. রহিমা কখন আমেনাদের বাড়িতে গিয়েছিলো?
উত্তর: দুপুরে।
১৪৭. রহিমা আমেনার বাড়িতে গিয়েছিলো কেন/
উত্তর: পানিপড়া দিতে।
১৪৮. মজিদ ও খালেক ব্যাপারীর মধ্যে কোন বিষয়টিতে বৈসাদৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: ধর্মবোধে।
১৪৯. তানি যে খোদার মানুষ-কে?
উত্তর: মজিদ।
১৫০. মজিদের নাড়ির প্যাঁচ সারানো বিষয়টিতে কি উপস্থাপিতি হয়েছে?
উত্তর: কুসংস্কার।
১৫১. উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিশ্রান্ত বোধ করে কেন?
উত্তর: শারীরিক দুর্বলতায়।
১৫২. আমেনা বিবি কিসে চড়ে মজিদের কাছে গিয়েছিলো?
উত্তর: পালকি দিয়ে।
১৫৩. আমেনা বিবিকে মজিদ কোথায় নিতে বলেছিলো?
উত্তর: মাজারে।
১৫৪. মজিদ বারবার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল কেন?
উত্তর: রূপের মোহে।
১৫৫. মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় কেন?
উত্তর: ধর্মভীতির কারণে।
১৫৬. মাজারে পাক দেওয়ার সময় আমেনা বিবি কোন দিক থেকে শুরু করে?
উত্তর: ডানদিক।
১৫৭. রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো কিভাবে দেখছিল?
উত্তর: বেড়ার ফুটো দিয়ে।
১৫৮. আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মুর্ছা গিয়েছিলো কেন?
উত্তর: শারীরিক দুর্বলতায়।
১৫৯. খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে কেন?
উত্তর: সন্দেহে।
১৬০. মজিদের কথামতো কাজ করায় খালেক ব্যাপারীর কোন দিকটি উন্মোচিত হয়েছে?
উত্তর: ব্যক্তিত্বহীনতা।
১৬১. আমেনা বিবির ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: স্বামীভীরু।
১৬২. কোন গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌঁছেছে?
উত্তর: তালগাছ।
১৬৩. মোদাব্বের মিঞার ছেলের নাম কি?
উত্তর: আক্কাস।
১৬৪. আক্কাস মহব্বতনগর গ্রামে কি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল?
উত্তর: স্কুল।
১৬৫. রাকিব তার গ্রামের মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো বিস্তার করার জন্য নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করতে চায়। এখানে রাকিব লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি?
উত্তর: আক্কাস।
১৬৬. মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রের কোন বিষয়টি উন্মোচিত হয়েছে?
উত্তর: শোষণ।
১৬৭. তানু বিবির তানি মানে কে?
উত্তর: খালেক ব্যাপারি।
১৬৮. বেত্তমিজের মতো কথা কইস না-উক্তিটি কার সম্পর্কে করা হয়েছিলো?
উত্তর: আক্কাস।
১৬৯. মহব্বতনগর গ্রামে বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিলো কে?
উত্তর: খালেক ব্যাপারী।
১৭০. মহব্বতনগর গ্রামে বড় মসজিদ নির্মাণে খালেক ব্যাপারীর বারো আনা খরচ বহন করতে চাওয়ার মধ্যে কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
উত্তর: ধর্মভীরুতা।
১৭১. মজিদের যশ, খ্যাতির প্রধান উৎস কি?
উত্তর: পুরনো কবরটি।
১৭২. মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ কি?
উত্তর: নিঃসন্তান হওয়ায়।
লালসালু উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পঙক্তি
শস্যহীন জনবহুল এ অঞ্চলের বাসিন্দাদের বেরিয়ে পড়বার ব্যাকুলতা ধোঁয়াটে আকাশকে পর্যন্ত যেন সদাসন্ত্রস্ত করে রাখে।
শস্যের চেয়ে টুপি বেশী, ধর্মের আগাছা বেশি।
কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ। শস্যশূন্য। শস্য যা বা হয় তা জনবহুলতার তুলনায় যৎসামান্য।
ক্ষুধার্ত চোখের তলে চামড়াটে চোয়ালের দীনতা ঘোচে না।
আসলে সে ঠাণ্ডা, ভীতু মানুষ। দশ কথায় রা নেই, রক্তে রাগ নেই।
অমন করে হাঁটতে নাই বিবি, মাটি-এ গোস্বা করে।
মাথায় শনের মতো চুলওয়ালা খ্যাংটা বুড়ী মাজারে এসে তীক্ষ্ণ আর্তনাদ শুরু করে দিল।
জমিলার সন্ধ্যা হতে না হতেই ঘুমোবার অভ্যাস।
কুপির আলোয় চকচক করে তার মস্ত কালো চোখজোড়া।
জমিলার ঘুম কাঠের মতো।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে লালসালু উপন্যাসের জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং উপকৃত হতে পেরেছেন। প্রিয় পাঠক, এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url