সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর বিস্তারিত জেনে নিন
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আপনি যদি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর গুলো বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রিয় পাঠক, চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
সিরাজউদ্দৌলা একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক, যেখানে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা–এর জীবনের শেষ অধ্যায় অত্যন্ত মর্মান্তিকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। নাটকের মূল পটভূমি পলাশীর যুদ্ধ, যা বাংলার স্বাধীনতার পতনের প্রতীক। নাটকে দেখা যায়, তরুণ ও আবেগপ্রবণ নবাব সিরাজউদ্দৌলা নানা দিক থেকে ষড়যন্ত্রের শিকার হন। তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যেই জন্ম নেয় বিশ্বাসঘাতকতা—বিশেষ করে মীর জাফর, ঘসেটি বেগম এবং ইংরেজদের চক্রান্ত তাঁর অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যে অভ্যন্তরীণ বিভেদকে কাজে লাগায়।
পলাশীর যুদ্ধে মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সিরাজউদ্দৌলার সেনাবাহিনী কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং তিনি পরাজিত হন। এই পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়। নাটকের শেষাংশে সিরাজউদ্দৌলার পলায়ন, বন্দিত্ব এবং নির্মম হত্যার মধ্য দিয়ে ট্র্যাজেডির চূড়ান্ত পরিণতি ফুটে ওঠে। তাঁর ব্যক্তিগত দুর্বলতা, রাজনৈতিক অদূরদর্শিতা এবং চারপাশের বিশ্বাসঘাতকতা মিলেই এই পতনের কারণ হিসেবে চিত্রিত হয়েছে।
সারসংক্ষেপে, সিরাজউদ্দৌলা নাটকটি শুধু একটি ব্যক্তির করুণ পরিণতির গল্প নয়, বরং এটি বাংলার স্বাধীনতা হারানোর ইতিহাস, বিশ্বাসঘাতকতার নির্মমতা এবং ঔপনিবেশিক শক্তির উত্থানের এক গভীর প্রতিচ্ছবি।
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু উক্তি
১। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যুবরণ, এই আমাদের প্রতিজ্ঞা।
২। ভিক্টরি অর ডেথ, ভিক্টরি অর ডেথ।
৩। বিপদ আসন্ন দেখে কাপুরুষের মতো হাল ছেড়ে দিও না।
৪। যুদ্ধ করো, প্রাণপণে যুদ্ধ করো। ভিক্টরি অর ডেথ।
৫। ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য। তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।
৬। যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?
৭। জলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়া যায়।
৮। সৈন্য তো দূরের কথা এক ছটাক বারুদ পাঠিয়েও কেউ আমাদের সাহায্য করল না।
৯। ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।
১০। কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার রাতারাতি সেনাধ্যক্ষ হয়ে বসেছ।
১১। তোমার কৃতকার্যের উপযুক্ত প্রতিফল নেবার জন্য তৈরি হও হলওয়েল।
১২। এ পর্যন্ত তোমরা যে আচরণ করে এসেছ তাতে তোমাদের ওপর সত্যিকার জুলুম করতে পারলে আমি খুশি হতুম।
১৩। বাংলার বুকে দাঁড়িয়ে বাঙালির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবার স্পর্ধা ইংরেজ পেলো কোথা থেকে আমি তার কৈফিয়ত চাই।
১৪। বাংলাদেশে বাণিজ্য করবার অনুমতি দিল্লির বাদশাহ আমাদের দিয়েছেন।
১৫। কিন্তু সদ্ব্যবহার তো দূরের কথা তোমাদের জন্য করুণা প্রকাশ করাও অন্যায়।
১৬। ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?
১৭। ঘুষের অঙ্ক বড় বেশি মোটা হবার ফলেই নবাবের ধমকানি সত্বেও কৃষ্ণবল্লভকে ত্যাগ করতে পারেনি মি. ড্রেক।
১৮। তবু যদি মেয়েদের নৌকোয় করে কলকাতা থেকে না পালাতেন তা হলেও না হয় এই দম্ভ সহ্য করা যেত।
১৯। অর্থাৎ ঘুষ খেয়ে ঘুষ কথাটার অর্থই বদলে গেছে আপনার কাছে।
২০। প্রাণ বাঁচাবে কী করে তার ব্যবস্থা নেই, কর্তৃত্ব ফলাচ্ছেন সব।
২১। আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু। মৃত্যু পর্যন্ত এই বন্ধুত্ব আমি বজায় রাখিব।
২২। সুদূর লাহোর হইতে আমি বাংলাদেশে আসিয়াছি অর্থ উপার্জনের জন্য, যেমন আসিয়াছেন কোম্পানির লোকেরা।
২৩। আজকের জলসা সরগরম করে তুলতে পারবেন আশা করে এঁকে আমি সঙ্গে নিয়ে এসেছি।
২৪। আমি দুধের হাড়ির কাছে যেতে না যেতেই কালি মেখে গুলবাঘা বনে যাই।
২৫। রাজা রাজবল্লভের স্বার্থ যেমন নির্বিঘ্ন হবে আমাদের তেমন আশা নেই। কাজেই আমাদের পক্ষে নগদ কারবারই ভালো।
২৬। দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়। আমি দওলতের পূজারি।
২৭। গুরুতর কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে এমন আশঙ্কা আমার ছিল না।
২৮। আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে। বিচারক আপনারা।
২৯। বাংলার প্রজা সাধারণের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিধান করতে পারিনি বলে আমি তাদের কাছে অপরাধী।
৩০। ট্যাক্স দিয়ে বাণিজ্য কর বলে আমার নিরীহ প্রজার ওপরে অত্যাচার করবার অধিকার তোমরা পাওনি।
৩১। আপনাদের কাছে আজ আমি আমার অপরাধের বিচারপ্রার্থী।
৩২। বাংলার নবাবকে ভয় দেখাচ্ছেন সিপাহসালায়?
৩৩। অসংখ্য ভুল বোঝাবুঝি, অসংখ্য এবং শাঠ্যের ওপর আমাদের মৌলিক সম্প্রতীর ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত।
৩৪। বোঝা যতই দুর্বহ হোক একাই তা বইবার চেষ্টা করব।
৩৫। দেশের স্বার্থের জন্য নিজেদের স্বার্থ তুচ্ছ করে আমরা নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।
৩৬। গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নামে শপথ করছি, আমার জীবন নবাবের কল্যাণে উৎসর্গীকৃত।
৩৭। শেষ পর্যন্ত দশ লক্ষ টাকা খেসারত দিয়ে তবে তার মুক্তি।
৩৮। আমাদের কারও অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি।
৩৯। মানিকচাঁদের মুক্তিমূল্য পঞ্চাশ কোটি টাকার কম হবে না।
৪০। আমার যাবতীয় সম্পত্তি বিক্রি করলেও এক কোটি টাকা হবে না।
৪১। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত কাগজে-কলেমে পাকাপাকি করে নেওয়াই আমার প্রস্তাব।
৪২। একটু নুন জোগাড় হলেই কাঁচা খাব বলে মুলোটো হাতে নিয়েই ঘুরছিলাম।
৪৩। আমি জানতাম কাউয়ার্ডদের ওপর কোনো কাজের জন্যেই ভরসা করা যায় না।
৪৪। বড় সুখে আছে রাজমাতা আমেনা বেগম।
৪৫। তোমার মুখে বড় বড় বুলি শুনলে গায়ে যেন জ্বালা ধরে যায়।
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
১। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যের স্থান কোনটি?
উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজ।
২। সিকানদার আবু জাফর কোন জেলায় জন্মগ্রহন করেন?
উত্তর: সাতক্ষীরা।
৩। কলকাতার নাম আলিনগর ঘোষণা করেন কে?
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা।
৪। আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু। মৃত্যু পর্যন্ত এই বন্ধুত্ব আমি বজায় রাখিব। কে বলেছেন?
উত্তর: উমিচাঁদ।
৫। সিরাজউদ্দৌলা নাটকে প্রথম কোন চরিত্রের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়?
উত্তর: ক্লেটন।
৬। কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করা হয়?
উত্তর: রাজা মানিকচাঁদকে।
৭। সিরাজের পতন কে না চায় সংলাপটি কার?
উত্তর: ঘসেটি বেগমের।
৮। প্রাণপণে যুদ্ধ করো, সাসহী ব্রিটিশ সৈনিক এক কথাটি কার?
উত্তর: ক্যাপ্টেন ক্লেটনের।
৯। সিকানদার আবু জাফর সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
উত্তর: সমকাল।
১০। সিকানদার আবু জাফরের জন্ম সন কোনটি?
উত্তর: ১৯১৮।
১১। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: ১২টি।
১২। নবাবের রাজধানী ছিল কোথায়?
উত্তর: মুর্শিদাবাদে।
১৩। মোহাম্মাদি বেগ কত টাকার বিনিময়ে সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিলো?
উত্তর: দশ হাজার।
১৪। স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি বলতে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: সাহসিকতা।
১৫। সিকানদার আবু জাফরের পেশা কি ছিল?
উত্তর: সাংবাদিকতা।
১৬। সিকানদার আবু জাফর রচিত প্রসন্ন প্রহর কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: কাব্যগ্রন্থ।
১৭। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের তৃতীয় অঙ্কে মোট কতটি দৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: চারটি।
১৮। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন অংশে অঙ্কে সর্বনিম্ন ২ দুটি দৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: চতুর্থ অঙ্কে।
১৯। রস বিচারে সিরাজউদ্দৌলা কোন প্রথম অঙ্কের দৃশ্যের সময়কাল কোনটি?
উত্তর: ১৯৫৬ সাল ১৯ জুন।
২০। ডাচ শব্দটি কোন জাতিকে নির্দেশ করা হয়?
উত্তর: ওলন্দাজ বা হল্যান্ডের অধিবাসীদের।
২১। সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কোম্পানি শব্দটি দ্বারা কোন কোম্পানিকে নির্দেশ করে?
উত্তর: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
২২। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যুবরণ, এই আমাদের প্রতিজ্ঞা। এই সংলাপটি কার?
উত্তর: ক্লেটনের।
২৩। নবাবের পদাতিক বাহিনী কোথাকার রাস্তা দিয়ে চলে এসেছে?
উত্তর: দমদমের সরু রাস্তা দিয়ে।
২৪। নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী কোন খাল পেরিয়ে ইংরেজ দুর্গের দিকে এগিয়ে আসে?
উত্তর: শিয়ালদহের মারাঠা খাল।
২৫। কাপুরুষ বেইমান, জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়। কাদের উদ্দেশ্য ক্লেটন এই উক্তিটি করেন?
উত্তর: মিনচিন, ফ্রাস্কল্যান্ড, ম্যানিংহাম।
২৬। ইংল্যান্ডের বীর সন্তান বলে কে নিজেকে পরিচয় দেয়?
উত্তর: ক্লেটন।
২৭। উইলিয়াম ওয়াটস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কোন এলকার কুঠির পরিচালক ছিলেন?
উত্তর: কাশিমবাজার।
২৮। পেশায় চিকিৎসক হলওয়েল কোন কলি কল্পিত ঘটনা প্রচার করে?
উত্তর: অন্ধকূপ হত্যা।
২৯। আপনি নবাবের সেনাধ্যক্ষ রাজা মানিকচাঁদের কাছে একখানা পত্র লিখে পাঠান। সংলাপটি কাকে উদ্দেশ্য করে কে করেছে?
উত্তর: উমিচাঁদকে হলওয়েল।
৩০। হলওয়েলের উপাধি সার্জন হলে রোজার ড্রেক ও ক্লেটনের উপাধি যথাক্রমে কী কী?
উত্তর: নভর্নর ও ক্যাপ্টেন।
৩১। আমিও এখন কমান্ডার-ইন চিফ। উমিচাঁদ কাকে উদ্দেশ করে এই সংলাপটি করেছেন?
উত্তর: হলওয়েল।
৩২। কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার রাতারাতি সেনাধ্যক্ষ হয়ে বসেছেন। হলওয়েলকে উদ্দেশ করে উক্ত সংলাপটি কে করেছেন?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
৩৩। নবাবসৈন্য কলকাতা আক্রমন করার সঙ্গে সঙ্গে রোজার ড্রেক প্রাণভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে। সংলাপটি কার?
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার।
৩৪। ইংরেজরা আত্মরক্ষার নামে কোথায় গোপনে অস্ত্র আমদানি করেছিলো?
উত্তর: কাশিমবাজারে।
৩৫। নবাবের নিষেধ অগ্রাহ্য করে কাকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় কার হুকুমে?
উত্তর: কৃষ্ণবল্লভকে।
৩৬। নবাব আলিবর্দি আমাদের বাণিজ্য করার অনুমতি দিয়েছেন। সিরাজকে উদ্দেশ্য করে এই সংলাপটি করেন?
উত্তর: হলওয়েল।
৩৭। ফরাসিরা ডাকাত! আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন? হলওয়েলকে উদ্দেশ করে কে এই সংলাপটি করেন?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
৩৮। নাসারার দুর্গ এই ফোর্ট ইউলিয়ামের ভেতরে একটি মসজিদ তৈরি হবে। কাকে এই আয়োজন করতে বলা হয়?
উত্তর: মিরমর্দানকে।
৩৯। ক্লেটন, জর্জ, হলওয়েল এরা সম্মিলিতভাবে নবাবের বিরুদ্ধ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় কোথায়?
উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে।
৪০। মিরজাফরের প্রকৃত নাম কী?
উত্তর: মিরজাফর আলি খান।
৪১। মিরজাফর ভারতবর্ষে আসেন কোথায় থেকে?
উত্তর: পারস্য থেকে।
৪২। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যের শুরুতে কোন সময়ে উল্লেখ আছে?
উত্তর: ১৭৫৬ সাল, ৩ জুলাই।
৪৩। কলকাতা থেকে নবাবের তাড়া খেয়ে ইংরেজরা আস্তানা গেড়েছে কোথায়?
উত্তর: ভাগীরথী নদীতে ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে।
৪৪। এত অল্পে অধৈর্য হলে চলবে কেন? সংলাপটি কিলপ্যাট্রিক কাকে উদ্দেশ্য করে বলেন?
উত্তর: হ্যারি।
৪৫। জগৎশেঠ কে ছিলেন?
উত্তর: নবাবের সেনাপতি মানিকচাঁদের ভ্রাতুস্পুত্র।
৪৬। ফতেহচাঁদকে জগৎশেঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয় কত সালে?
উত্তর: ১৭২৩ সালে।
৪৭। ভাগীরথী নদীতে ইংরেজদের ভাসমান জাহাজে কোন কোন রোগের প্রার্দুভাব দেখা দেয়?
উত্তর: ম্যালেরিয়া ও আমাশয়।
৪৮। ভাগীরথী নদীতে অবস্থানরত ইংরেজদের জাহাজ থেকে কলকাতার দূরত্ব ছিল কত?
উত্তর: চল্লিশ মাইলের ভেতরে।
৪৯। নারায়ণ সিংহ কী ছদ্মনামে ইংরেজদের ষড়যন্ত্রের খবর নবাবকে জানাতেন?
উত্তর: রাইসুল জুহালা।
৫০। বিশ্বাসঘাতক ও অর্থলোলুপ মন্ত্রী রাজবল্লভ কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
উত্তর: ঢাকার বিক্রমপুরের অধিবাসী।
৫১। মিরন কোন অপরাধে রায়দুর্লভকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন?
উত্তর: অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে।
৫২। সিপাহসালার বলতে কাকে বোঝায়?
উত্তর: সেনাপতিকে।
৫৩। কে নিজেকে দওলতের পূজারি বলে পরিচয় দেন?
উত্তর: উমিচাঁদ।
৫৪। কাকে উপযু্ক্ত শিক্ষা দেওয়ার জন্য নবাব সিরাজউদ্দৌলা মোহনলালের অধীনে সেনাবাহিনী পাঠানোর ব্যবস্থা করেন?
উত্তর: শওকতজঙ্গকে।
৫৫। সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়কাল ও স্থান কোনটি?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ১০ মার্চ, নবাবের দরবার।
৫৬। স্থানীয় লোকজনের তৈরি লবণ ইংরেজরা তিন-চার আনা মণ দরে কিনে কত টাকা মণ দিয়ে বিক্রি করে?
উত্তর: দুই-আড়াই টাকা।
৫৭। ঈশ্বরের নামে প্রতিজ্ঞা করেছি, সর্বশক্তি নিয়ে চিকালের জন্য আমি নবাবের অনুগামী। এ কথা কে বলেন?
উত্তর: রায়দুল্লভ।
৫৮। ইংরেজরা কাকে ঘুষ দিয়ে চন্দননগর ধ্বংস করে?
উত্তর: বেইমান নন্দকুমারকে।
৫৯। আমাদের কারও অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি। সংলাপটি কে করেছিলেন?
উত্তর: মিরজাফর।
৬০। মিরন কার পুত্র?
উত্তর: মিরজাফরের।
৬১। রবার্ট ক্লাইভ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকরি নিয়ে ভারতবর্ষে আসেন কত বছর বয়সে?
উত্তর: ১৭ বছর।
৬২. মোহাম্মাদি বেগ কত টাকার বিনিময়ে সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিলো?
উত্তর: ক. দশ হাজার।
৬৩. স্বার্থাদ্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি বলতে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ক. সাহসিকতা।
৬৪. সিকানদার আবু জাফরের পেশা কোনটি?
উত্তর: ঘ. সাংবাদিকতা।
৬৫. কোনটি সিকানদার আবু জাফর রচিত নাটক নয়?
উত্তর: ক. প্রসন্ন প্রহর।
৬৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের নায়ক চরিত্র কোনটি?
উত্তর: গ. নবাব সিরাজ।
৬৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের তৃতীয় অঙ্কে মোট কতটি দৃশ্য রয়েছে?
উত্তর: গ. চারটি।
৬৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকটির বিষয় অনুসারে কোন প্রকৃতির নাটক?
উত্তর: ঘ. ট্রাজেডিধর্মী।
৬৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কোন ধরনের সত্যতা খঁজে পাওয়া যায়?
উত্তর: ঐতিহাসিক।
৭০. ডাচ শব্দটি দ্বারা কোন জাতিকে নির্দেশ করে?
উত্তর: ক. ওলন্দাজ বা হল্যান্ডের অধিবাসীদের।
৭১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কোম্পানি শব্দটি দ্বারা কোন কোম্পানিকে নির্দেশ করে?
উত্তর: ঘ. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে।
৭২. যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যেুবরণ, এই আমাদের প্রতিজ্ঞা।-এই সংলাপটি কার?
উত্তর: গ. ক্লেটনের।
৭৩. নবাবের পদাতিক বাহিনী কোথাকার রাস্তা দিয়ে চলে এসেছে?
উত্তর: ক. দমদমের সরু রাস্তা দিয়ে
৭৪. ক্যাপ্টেন মিনচিন দমদমের রাস্তাটা উড়িয়ে দিতে পারেননি। ক্লেটন কেমন স্বরে উক্ত সংলাপটি করে?
উত্তর: গ. ক্ষিপ্ত স্বরে।
৭৫. ইংল্যান্ডের বীর সন্তান বলে কে নিজেকে পরিচয় দেয়?
উত্তর: ক্লেটন।
৭৬. আপনি নবাবের সেনাধ্যক্ষ রাজা মানিকচাঁদের কাছে একখানা পত্র লিখে পাঠান। সংলাপটি কাকে উদ্দেশ্য করে কে করেছে?
উত্তর: ঘ. উমিচাঁদকে হলওয়েল।
৭৭. হলওয়েলের উপাধি সার্জন হলে রজার ড্রেক ও ক্লেটনের উপাধি যথাক্রমে কি কি?
উত্তর: ক. গভর্নর ও ক্যাপ্টেন।
৭৮. ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা। উমিচাঁদের এই সংলাপটি কোন প্রকৃতির?
উত্তর: খ. বিদ্রুপাত্মক।
৭৯. নবাব আলিবর্দি আমাদের বাণিজ্য করার অনুমতি দিয়েছেন। সিরাজকে উদ্দেশ্য করে কে এই সংলাপটি করেন?
উত্তর: গ. হলওয়েল।
৮০. ফরাসিরা ডাকাত। আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন? উক্তিটি কার?
উত্তর: ক. নবাব সিরাজ
৮১. গভর্নর ড্রেকের বাড়িটা কামানোর গোলায় উড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করে দিন। সিরাজউদ্দৌলা কাকে এই নির্দেশ দেন?
উত্তর: খ. রায়দুর্লভকে।
৮২. ক্লেটন, জর্জ, হলওয়েল এরা সম্মিলিতভাবে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় কোথায়?
উত্তর: ঘ. ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে।
৮৩. ঘুষের অঙ্ক বেশি মোটা হবার ফলেই নবাবের ধমকানি সত্ত্বেও ত্যাগ করতে পারেননি মি. ড্রেক। হ্যারির উক্ত সংলাপের মধ্যে দিয়ে ড্রেকের কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: গ. অর্থলোভী মনোভাব।
৮৪. তোমরা কোম্পানির সত্তর টাকা বেতনের কর্মচারী। কিলপ্রাট্রিক কাকে উদ্দেশ্য করে এ সংলাপটি করেন?
উত্তর: ক. হ্যারি।
৮৫. ছাই হচ্ছে। রোজই শুনছি কিছু একটা হচ্ছে। এদিকে দিনের পর দিন একবেলা খেয়ে, প্রায়ই না খেয়ে.... একপ্রস্থ জামাকাপড় সম্বল। রমণীর এই সংলাপে ইংরেজদের কোন চিত্র ফুঠে উঠেছে?
উত্তর: ক. ইংরেজদের দুর্দশার।
৮৬. কোথায় ফিরেই নবাব ইংরেজদের মুক্তি দিয়েছেন বলে হলওয়েল জানান?
উত্তর: খ. মুর্শিদাবাদে।
৮৭. বিপদ যদি আসেই, তা হলে তা আসবে কলকাতার দিক দিয়ে গঙ্গার স্রোতে ভেসে। এ ধারণা কার?
উত্তর: ঘ. কিলপ্যাটিক্রকের।
৮৮. ড্রেকের কাছে লেখা উমিচাঁদের চিঠির মূল বক্তব্য কিসের চিত্র ধরা পড়েছে?
উত্তর: খ. দেশদ্রোহিতা ও স্বার্থপরতার।
৮৯. লোকবল বাড়ুক আর না বাড়ুক, আহার্যের অংশীদার বাড়ল তা অবশ্য ঠিক। আলোচ্য সংলাপটি হ্যারি কাদের উদ্দেশ্য উচ্চারণ করেন?
উত্তর: খ. মার্টিন ও ড্রেক।
৯০. রায়দুর্লভের পিতার নাম কি?
উত্তর: গ. রাজা জানকীরাম।
৯১. মিরন কোন অপরাধে রায়দুর্লভকে মৃত্যেুদেণ্ডে দণ্ডিত করেন?
উত্তর: গ. অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে।
৯২. সিপাহসালার বলতে কাকে বোঝায়?
উত্তর: গ. সেনাপতিকে।
৯৩. নিজেকে খাদেম বলে পরিচয় দেন কে?
উত্তর: গ. উমিচাঁদ।
৯৪. ঘসেটি বেগমের বাড়িতে নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রাজবল্লভ, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভের কথা বার্তার মাধ্যমে কি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: ক. অর্থলোলুপতা।
৯৫. রাইসুল জুহালা কোথায় ছদ্মবেশে নৃত্য পরিবেশন করেন?
উত্তর: ক. ঘসেটি বেগমের বাড়িতে।
৯৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়কাল ও স্থান কোনটি?
উত্তর: খ. ১৭৫৭ সালের ১০ মার্চ, নবাবের দরবারে।
৯৭. নাকিব কাকে সম্বোধন করে নবাব মনসুর-উল-মুলুক সিরাজউদ্দৌলা শাহকুলি খাঁ মির্জা মুহম্মদ হায়বতজঙ্গ বাহাদুর বলে?
উত্তর: ঘ. সিরাজউদ্দৌলাকে।
৯৮. বাংলার প্রজাসাধারণের সুখস্বাচ্ছন্দ্য বিধান করতে পারিনি। নবাবের এ সংলাপের মাধ্যমে কি ধরনের মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: গ. অপরাধী।
৯৯. কোম্পানির প্রতিনিধির কাছে লবণ বিক্রি করেনি বলে জনৈক প্রজার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে কারা?
উত্তর: গ. কোম্পানির ষণ্ডারা।
আরো পড়ুন: সিরাজউদ্দৌ নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১০০. বোঝা যতই দুর্বহ হোক, আমি একাই তা বইবার চেষ্টা করবো। নবাবের এ উক্তির মধ্যে দিয়ে কোন ধরনের মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: ক. প্রজাদের কল্যাণ সাধনে যত কষ্টই আসুক নবাব তা মেনে নিবে।
১০১. আমি দেখতে চাই, আমার রাজত্বে হৃদয়হীন জালিমের বিরুদ্ধে অসহায় মজলুম কঠিনতর জালিম হয়ে উঠেছে। এ সংলাপে নবাবের কোন আকাঙ্খা প্রকাশিত হয়েছে?
উত্তর: খ. প্রজাদের প্রতি নবাবের গভীর ভালোবাসা সঞ্চারিত হয়েছে।
১০২. উমিচাঁদের শপথ বাক্য কোনটি?
১০৩. ইংরেজরা কাকে ঘুষ দিয়ে চন্দননগর ধ্বংস করে?
ক. দেশপ্রেমিক মোহনলালকে খ. বেইমান নন্দকুমারকে
গ. রাজবল্লভকে ঘ. নবাবকে
উত্তর: খ. বেইমান নন্দকুমারকে।
১০৪. নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্য নবাবের বিরুদ্ধে কাদের ষড়যন্ত্রের কথা বর্ণিত হয়েছে?
উত্তর: ক. তাঁর পরিষদ ও কোম্পানির প্রতিনিধিদের।
১০৫. নবাবের শাসনব্যবস্থা কেমন বলে মনে হয়?
উত্তর: ক. অত্যান্ত কঠোর।
১০৬. আমাদের কারও অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি। সংলাপটি কে করেছিলেন?
উত্তর: মিরজাফর।
১০৭. একটু নুন জোগাড় হলেই কাঁচা খাব বলে মুলোটা হাতে নিয়ে ঘুরছিলাম। কে এ উক্তিটি করেন?
উত্তর: ক. রাইসুল জুহালা।
১০৮. সন্দেহ করাটা বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু বেশি সন্দেহে বুদ্ধি ঘুলিয়ে যেতে পারে। রাইসের এমন মন্তব্যর কারণ কি?
উত্তর: ক. জগৎশেঠের অতিরিক্ত সন্দেহ করার জন্য।
১০৯. নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের ঘটনাবলি কোথায় সংঘটিত হয়?
উত্তর: গ. মিরনের বাড়িতে।
১১০. রবার্ট ক্লাইভ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকরি নিয়ে ভারতবর্ষে আসেন কত বছর বয়সে?
উত্তর: গ. ১৭ বছর।
১১১. চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র-সংলাপটি রায়দুর্লভ কাকে উদ্দেশ করে বলেন?
উত্তর: ঘ. মিরনকে।
১১২. খাজাঞ্চি বলতে কোন ব্যক্তিকে বোঝায়?
উত্তর: গ. কোষাধ্যক্ষকে।
১১৩. রমণীর ছদ্মবেশে মিরনের বাসগৃহে প্রবেশ করেন কারা?
উত্তর: ক. ওয়াস ও ক্লাইভ।
১১৪. আরে বাপরে, একেবারে কালকেউটে মিরজাফর কেন উমিচাঁদকে উক্ত উক্তিটি করেন?
উত্তর: গ. উমিচাঁদের ধূর্ত স্বভাব ও অর্থলোলুপতার জন্য।
১১৫. আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন,কাল আমাদের পথে বসাবেন না তা কি বিশ্বাস করা যায়? সংলাপটি কার?
উত্তর: কর্নেল রবার্ট ক্লাইভ।
১১৬. ওয়াটসনের পদমর্যাদা কি?
উত্তর: ক. ইংরেজ নৌবাহিনী প্রধান।
১১৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্য কোথায় সংঘটিত হয়েছে?
উত্তর: গ. লুৎফুন্নেসার কক্ষে।
১১৮. কত সালে নবাবের সাথে লুৎফুন্নেসার বিবাহ সম্পন্ন হয়?
উত্তর: ঘ. ১৭৪৬ সালে।
১১৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে বর্তমান বাংলাদেশের কোন স্থানের নাম বেশি বার উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তর: গ. মতিঝিল।
১২০. আলিবর্দি খাঁর কনিষ্ঠ কন্যা আমিনার স্বামীর নাম কি?
উত্তর: ক. জয়েন উদ্দিন।
১২১. ঘসেটি বেগমের প্রিয়ভাজন সেনাপতি হোসেন কুলি খাঁকে আলিবর্দির নির্দেশে কে হত্যা করেন?
উত্তর: ক. সিরাজ।
১২২. ঘসেটি বেগমের স্বামী নওয়াজিস কোথাকার শাসনকর্তা ছিলেন?
উত্তর: গ. ঢাকার।
১২৩. কিন্তু তোমার মুখে বড় বড় বুলি শুনলে গায়ে যে জ্বালা ধরে যায়-ঘসেটি বেগম এ কথাটি কাকে বলেছেন?
উত্তর: গ. লুৎফন্নেসাকে।
১২৪. শওকত জঙ্গের পিতার নাম কি?
উত্তর: খ. সৈয়দ আহমদ।
১২৫. শরাব স্পর্শ করবেন না বলে নবাব কোথায় কসম করেছিলেন?
উত্তর: গ. আলিবর্দি খাঁর মৃত্যেুশয্যায়।
১২৬. রোশনি শব্দের অর্থ কি?
উত্তর: ক. আলোকসজ্জা।
১২৭. সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে অংশগ্রহণকারী অন্যতম বিশ্বস্ত ফরাসি সেনাপতি ছিলেন কে?
উত্তর: খ. সাঁফ্রে।
১২৮. মিরজাফরের বিশ্বস্ত গুপ্তচর উমর বেগ জমাদারকে খুন করা হয়েছিলো কার হুকুমে?
উত্তর: ঘ. মোহনলালের।
১২৯. নবাবের পক্ষে পশ্চিম দিকে গঙ্গার ধারে উঁচু স্থানে অবস্থান কার ছিল?
উত্তর: খ. বদ্রিআলি খাঁর।
১৩০. সেনাপতি মোহনলালের অনুচনরদের হাতে মিরজাফরকে লেখা রবার্ট ক্লাইভের কয়খানা চিঠি ধরা পড়েছে?
উত্তর: খ. ৩ খানা।
১৩১. পলাশি যুদ্ধের পূর্বে রাত্রে শলাপরামর্শের জন্য সিরাজের শিবিরে কে কে উপস্থিত ছিলেন?
উত্তর: গ. মোহনলাল, মিরমর্দান।
১৩২. পরচুলা শব্দের অর্থ কি?
উত্তর: খ. নকল চুলা।
১৩৩. টুলের উপর দাঁড়িয়ে দুরবিন দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থা দেখার চেষ্টা করেন কেন?
উত্তর: গ. নবাব।
১৩৪. বারুদ অকেজো হয়ে যাওয়ার কারণ কি?
উত্তর: গ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায়।
১৩৫. মিরমর্দানের লাশ মুর্শিদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয় কার হেফাজতে?
উত্তর: খ. ঘোড়সওয়াবের হেফাজতে
১৩৬. ক্লাইভ টান মেরে কার পরচুলা খুলে ফেলে?
উত্তর: খ. রাইসুল জুহালার।
১৩৭. নারায়ন সিংহকে সর্বশেষ গুলি করে হত্যা করে কে?
উত্তর: ক. ক্লাইভ।
১৩৮. আমার এতদিনের ভুল সংশোধন করার এই শেষ সুযোগ আমাকে নিতে হবে। নবাব কার উদ্দেশে এই সংলাপটি করেন?
উত্তর: সৈনিকের।
১৩৯. জৈনধর্মের প্রবর্তকের নাম কি?
উত্তর: ক. মহাবীর।
১৪০. ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়। সংলাপটি কার?
উত্তর: ঘ. সিরাজউদ্দৌলার।
১৪১. উমিচাঁদ কোন ধর্মের অনুসারি ছিলেন?
উত্তর: গ. শিখ।
১৪২. হাজার হাজার মানুষ একযোগে রুখে দাঁড়াতে পারলে কিসের প্রয়োজন হয় না?
উত্তর: খ. কৌশলের।
১৪৩. আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন বিহার থেকে রামনারায়ণ, পাটনা থেকে ফরাসি বীর মসিয়ে ল। সংলাপটি কার?
উত্তর: গ. নবাবের।
১৪৪. কোথায় যেতে পারলে আবার প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে বলে নবাব প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন?
উত্তর: ঘ. পাটনায়।
১৪৫. শিখ ধর্মের অনুসারি ছিলেন কোন ব্যক্তি?
উত্তর: গ. উমিচাঁদ।
১৪৬. নবাব সিরাজউদ্দৌলার দৃষ্টিতে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান কারা?
উত্তর: গ. দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহিদরা।
১৪৭. অন্ধকারে ফাঁকা ঘরে বসে থেকে কোনো লাভ নেই নবাব। সংলাপটি কে করেছেন?
উত্তর: ঘ. লুৎফুন্নেসা।
১৪৮. নবাবের বিপন্ন ও অবসাদগ্রস্থ অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে কোন সংলাপে?
উত্তর: ঘ. কেউ নেই, কেউ আমার সঙ্গে দাঁড়াল না লুৎফা।
১৪৯. মিরজাফরকে সহায়তার বিনিময়ে ক্লাইভ কত টাকা আয়ের জমিদারি লাভ করে?
উত্তর: ঘ. বার্ষিক ৪ লক্ষ টাকা।
১৫০. মিরন নবাবকে হত্যা করার জন্য কাকে নিয়োগ করে?
উত্তর: খ. মোহাম্মাদী বেগকে।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক, আজকে আমি আপনাদের সাথে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনি এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়েছেন এবং উপকৃত হতে পেরেছেন। প্রিয় পাঠক, এই পোস্টটি পুরো মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url